স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ‘হ্যারী পটার’খ্যাত তারকা

জাদুর কাঠি হাতে অন্ধকারকে পরাজিত করেছিল ছোট্ট জাদুকর হ্যারী পটার। যার গল্পে বড় হয়েছে গোটা একটি প্রজন্ম। আর সেই চরিত্রকে জীবন্ত করে তোলা অভিনেতা ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফ হয়ে উঠেছিলেন কোটি ভক্তের স্বপ্নের নায়ক। কিন্তু তার পর্দার আলো ঝলমলে সাফল্যের আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক অন্ধকার বাস্তবতা। সম্প্রতি নিজের জীবনের সেই কঠিন সময় নিয়ে মুখ খুলেছেন এই হলিউড তারকা। তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা সময়েই ধীরে ধীরে তিনি জড়িয়ে পড়েছিলেন সিগারেট ও অ্যালকোহলের নেশায়। খ্যাতি, চাপ আর একাকিত্বের মাঝে তার জীবনের এক অধ্যায় হয়ে উঠেছিল ভয়ংকর বিভীষিকাময়—যার কথা এতদিন খুব কমই জানত ভক্তরা। নিজের সেই দুঃসহ দিনগুলোর কথা স্মরণ করে ড্যানিয়েল বলেন, ‘মাত্র ১৮ বছর বয়সেই আমি মদ্যপান ও ধূমপানে মারাত্মকভাবে আসক্ত হয়ে পড়ি। ছোটবেলায় পাওয়া আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা আমাকে অনেক কিছু ভাবাত।’ তার কথায়, ‘কাজ আরও ভালো হবে কিংবা ভক্তদের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠব এমন ভুল ধারণা থেকেই মূলত নেশার জগতে পা বাড়িয়েছিলাম। কিন্তু ফল হয়েছিল উল্টো। নেশার কারণে আমার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপক ক্ষতি হতে শুরু করে।’ অভিনেতা জানান,

স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ‘হ্যারী পটার’খ্যাত তারকা

জাদুর কাঠি হাতে অন্ধকারকে পরাজিত করেছিল ছোট্ট জাদুকর হ্যারী পটার। যার গল্পে বড় হয়েছে গোটা একটি প্রজন্ম। আর সেই চরিত্রকে জীবন্ত করে তোলা অভিনেতা ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফ হয়ে উঠেছিলেন কোটি ভক্তের স্বপ্নের নায়ক। কিন্তু তার পর্দার আলো ঝলমলে সাফল্যের আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক অন্ধকার বাস্তবতা।

সম্প্রতি নিজের জীবনের সেই কঠিন সময় নিয়ে মুখ খুলেছেন এই হলিউড তারকা। তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা সময়েই ধীরে ধীরে তিনি জড়িয়ে পড়েছিলেন সিগারেট ও অ্যালকোহলের নেশায়। খ্যাতি, চাপ আর একাকিত্বের মাঝে তার জীবনের এক অধ্যায় হয়ে উঠেছিল ভয়ংকর বিভীষিকাময়—যার কথা এতদিন খুব কমই জানত ভক্তরা।

নিজের সেই দুঃসহ দিনগুলোর কথা স্মরণ করে ড্যানিয়েল বলেন, ‘মাত্র ১৮ বছর বয়সেই আমি মদ্যপান ও ধূমপানে মারাত্মকভাবে আসক্ত হয়ে পড়ি। ছোটবেলায় পাওয়া আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা আমাকে অনেক কিছু ভাবাত।’

তার কথায়, ‘কাজ আরও ভালো হবে কিংবা ভক্তদের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠব এমন ভুল ধারণা থেকেই মূলত নেশার জগতে পা বাড়িয়েছিলাম। কিন্তু ফল হয়েছিল উল্টো। নেশার কারণে আমার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপক ক্ষতি হতে শুরু করে।’

অভিনেতা জানান, ২০১০ সাল নাগাদ নিজের শরীরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে তিনি নেশা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেন। তবে সেই লড়াইটা সহজ ছিল না। ২০১২ সালে তিনি আবারও অনিয়ন্ত্রিত জীবনে ফিরে যান, যা তার ক্যারিয়ার ও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পরবর্তীতে কঠোর ফিটনেস রুটিন এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনার মাধ্যমে তিনি এই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসেন। এমনকি কফি পানের অভ্যাসও কমিয়ে দেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ‘হ্যারি পটার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ সিনেমা মুক্তি পাওয়ার পর ড্যানিয়েল আরও অনেক ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তবে হ্যারি পটার চরিত্রের সেই বিশাল প্রভাব তার ক্যারিয়ারে একাধারে যেমন আশীর্বাদ ছিল, তেমনি টাইপকাস্টিংয়ের বেড়াজালে তা অনেকটা বাধা হয়েও দাঁড়িয়েছে। তবে জীবনের সেই কঠিন সময় কাটিয়ে এখন সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন এই অভিনেতা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow