স্বামী-স্ত্রীর লুডু খেলা কি জায়েজ?
প্রশ্ন: স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে সময় কাটানোর জন্য লুডু খেলা কি জায়েজ হবে? উত্তর: স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে সময় কাটানোর জন্য মাঝে-মধ্যে লুডু খেলা জায়েজ। এ ব্যাপারে ইসলামি আইনবিশারদগণ বলেন, যদি লুডু খেলায় হার-জিতের বাজি না থাকে এবং শরিয়তপরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে না হয় এবং এর দ্বারা ফরজ, ওয়াজিব আদায়ে ব্যাঘাত না ঘটে, তাহলে স্বামী-স্ত্রীর চিত্তবিনোদনের জন্য মাঝে মাঝে লুডু খেলা নিষিদ্ধ নয়। (আসসুনানুল কুবরা লিন নাসায়ি: ৮/১৭৬, আল বাহরুর রায়েক: ৮/১৮৯, ফতোয়ায়ে ফকিহুল মিল্লাত: ১২/২৯০) যে কোনো খেলা নিষিদ্ধ হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো: ১. খেলায় অতি-আসক্ত হয়ে যাওয়া এবং নামাজ, অন্যান্য ইবাদত, প্রয়োজনীয় কাজ ও আল্লাহ স্বরণ থেকে গাফেল হয়ে যাওয়া। ২. অহেতুক সময়ের অপচয় করা। ৩. বাজি/জুয়ার মতো হারাম কাজে জড়িত হয়ে পড়া। হাদিসে যে এ কারণেই দাবা/পাশা খেলাকে নিষিদ্ধ বলা হয়েছে। আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পাশা খেলল সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নাফরমানি করল। (সহিহ মুসলিম: ২২৬০) সুতরাং স্বামী-স্ত্রীর লুডু খেলার ক্ষেত্রেও খেয়াল রাখতে হবে এটা আসক
প্রশ্ন: স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে সময় কাটানোর জন্য লুডু খেলা কি জায়েজ হবে?
উত্তর: স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে সময় কাটানোর জন্য মাঝে-মধ্যে লুডু খেলা জায়েজ। এ ব্যাপারে ইসলামি আইনবিশারদগণ বলেন, যদি লুডু খেলায় হার-জিতের বাজি না থাকে এবং শরিয়তপরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে না হয় এবং এর দ্বারা ফরজ, ওয়াজিব আদায়ে ব্যাঘাত না ঘটে, তাহলে স্বামী-স্ত্রীর চিত্তবিনোদনের জন্য মাঝে মাঝে লুডু খেলা নিষিদ্ধ নয়। (আসসুনানুল কুবরা লিন নাসায়ি: ৮/১৭৬, আল বাহরুর রায়েক: ৮/১৮৯, ফতোয়ায়ে ফকিহুল মিল্লাত: ১২/২৯০)
যে কোনো খেলা নিষিদ্ধ হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:
১. খেলায় অতি-আসক্ত হয়ে যাওয়া এবং নামাজ, অন্যান্য ইবাদত, প্রয়োজনীয় কাজ ও আল্লাহ স্বরণ থেকে গাফেল হয়ে যাওয়া।
২. অহেতুক সময়ের অপচয় করা।
৩. বাজি/জুয়ার মতো হারাম কাজে জড়িত হয়ে পড়া।
হাদিসে যে এ কারণেই দাবা/পাশা খেলাকে নিষিদ্ধ বলা হয়েছে। আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পাশা খেলল সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নাফরমানি করল। (সহিহ মুসলিম: ২২৬০)
সুতরাং স্বামী-স্ত্রীর লুডু খেলার ক্ষেত্রেও খেয়াল রাখতে হবে এটা আসক্তি বা নেশার বিষয়ে পরিণত হচ্ছে কি না, লুডু খেলায় অনেক বেশি সময় নষ্ট করার কারণে নামাজ ও অন্যান্য ইবাদত ছুটে যাচ্ছে কি না, বাজি ও জুয়ার মতো হারাম বিষয় যুক্ত হয়ে পড়ছে কি না এবং এটা সম্পর্ক ভালো করার বদলে ঝগড়া-বিবাদ বাড়িয়ে দিচ্ছে কি না, যদি এসব ক্ষেত্রে ফলাফল নেতিবাচক হয় তাহলে স্ত্রীর সঙ্গেও লুডু খেলো থেকে বিরত থাকতে হবে।
কোরআনে জুয়াকে নাপাক বস্তু এবং শয়তানের কাজ বলা হয়েছে। জুয়া থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেছেন, শয়তান জুয়ার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে চায় এবং মানুষকে নামাজ ও আল্লাহ তায়ালার স্মরণ থেকেও বিমুখ রাখে।
আল্লাহ তাআলা বলেন, হে মুমিনগণ, নিশ্চয় মদ, জুয়া, প্রতিমা-বেদী ও ভাগ্যনির্ধারক তীরসমূহ নাপাক, শয়তানের কর্ম। সুতরাং তোমরা তা পরিহার কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। শয়তান মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চার করতে চায়। আর চায় আল্লাহর স্মরণ ও নামাজ থেকে তোমাদের বাধা দিতে। অতএব, তোমরা কি বিরত হবে না? (সুরা মায়েদা: ৯০, ৯১)
ওএফএফ
What's Your Reaction?