স্বামীর টাকা-স্বর্ণ নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে উধাও গৃহবধূ

স্বামীর ঘর থেকে সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ দুই লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়েছেন এক গৃহবধূ। মূলত ভুক্তভোগী স্বামীকে তালাক না দিয়েই পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে সেই নারীর বিরুদ্ধে। চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার এই ঘটনায় এরই মধ্যে একটি মামলাও হয়েছে। সোমবার (৪ মে) গণমাধ্যমের কাছে তথ্যটি নিশ্চিত করেন মামলার বাদী ভুক্তভোগী স্বামী মো. সোহেল। জানা যায়, ভুক্তভোগী স্বামী মো. সোহেল (৪২) বাদী হয়ে স্ত্রী রুমা আক্তার (২২) ও তার প্রেমিক নূর মোহাম্মদসহ (২৬) কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদপুর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক মো. সোহেল ও রুমা আক্তারের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের সময় স্ত্রীকে মোহরানা ও সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার প্রদান করা হয়েছিল। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই রুমা আক্তার পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন এবং স্বামীর বাধা সত্ত্বেও অনৈতিক সম্পর্ক চালিয়ে যান। গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে রুমা আক্তার বাসা থেকে নগদ দুই লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ও মূল্যবান স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যান। পরবর্তীকালে ইমু ও হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট রেক

স্বামীর টাকা-স্বর্ণ নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে উধাও গৃহবধূ

স্বামীর ঘর থেকে সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ দুই লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়েছেন এক গৃহবধূ। মূলত ভুক্তভোগী স্বামীকে তালাক না দিয়েই পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে সেই নারীর বিরুদ্ধে।

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার এই ঘটনায় এরই মধ্যে একটি মামলাও হয়েছে। সোমবার (৪ মে) গণমাধ্যমের কাছে তথ্যটি নিশ্চিত করেন মামলার বাদী ভুক্তভোগী স্বামী মো. সোহেল।

জানা যায়, ভুক্তভোগী স্বামী মো. সোহেল (৪২) বাদী হয়ে স্ত্রী রুমা আক্তার (২২) ও তার প্রেমিক নূর মোহাম্মদসহ (২৬) কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদপুর আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক মো. সোহেল ও রুমা আক্তারের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ের সময় স্ত্রীকে মোহরানা ও সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার প্রদান করা হয়েছিল। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই রুমা আক্তার পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়েন এবং স্বামীর বাধা সত্ত্বেও অনৈতিক সম্পর্ক চালিয়ে যান।

গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে রুমা আক্তার বাসা থেকে নগদ দুই লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ও মূল্যবান স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যান। পরবর্তীকালে ইমু ও হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট রেকর্ড থেকে জানা যায়, তিনি তার প্রেমিক নূর মোহাম্মদের সহায়তায় এই কাজ করেছেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়েই রুমা আক্তার অবৈধভাবে নূর মোহাম্মদের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

বাদী সোহেল জানান, দাম্পত্য জীবনের শুরু থেকেই তিনি তার কষ্টার্জিত আয়ের সমস্ত অর্থ সরল বিশ্বাসে স্ত্রীর হাতে তুলে দিতেন। কিন্তু রুমা সেই বিশ্বাসের অমর্যাদা করে তাকে নিঃস্ব করে দিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যান। বর্তমানে এই ঘটনা নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ায় আসামিরা তাকে ক্রমাগত বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নারী রুমা আক্তার বলেন, বিয়ের আগে থেকেই নূর মোহাম্মদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাই নূর মোহাম্মদকে কষ্ট দিতে পারবো না বলেই আগের প্রেমিককে বিয়ে করে ফেলেছি। কিন্তু আমি তার টাকা-স্বর্ণালংকার কিছুই নেইনি।

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow