স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় কারাগারে স্ত্রী

স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কারাগারে যেতে হয়েছে স্ত্রী আকলিমা বেগমকে (৪০)। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালীর বাউফল থানা পুলিশ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে আকলিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুমকি উপজেলার বাসিন্দা আলমগীর হোসেনের সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে আকলিমা বেগমের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এর জেরে তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে পটুয়াখালী আদালতে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা করেন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়। একপর্যায়ে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এরপর আকলিমা সন্তানকে নিয়ে বাউফল পৌর শহরের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। জানা যায়, কয়েকদিন আগে সন্তানের অসুস্থতার খবর পেয়ে আলমগীর হোসেন বাউফলে আসেন। এ সময় আকলিমার পক্ষের লোকজনের উদ্যোগে তাদের দ্বিতীয় দফায় বিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে কিছুদিন পর আকলিমা আবারও পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে

স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় কারাগারে স্ত্রী
স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় কারাগারে যেতে হয়েছে স্ত্রী আকলিমা বেগমকে (৪০)। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালীর বাউফল থানা পুলিশ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে আকলিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুমকি উপজেলার বাসিন্দা আলমগীর হোসেনের সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে আকলিমা বেগমের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। এর জেরে তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে পটুয়াখালী আদালতে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা করেন। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে বিরোধের নিষ্পত্তি হয়। একপর্যায়ে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এরপর আকলিমা সন্তানকে নিয়ে বাউফল পৌর শহরের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। জানা যায়, কয়েকদিন আগে সন্তানের অসুস্থতার খবর পেয়ে আলমগীর হোসেন বাউফলে আসেন। এ সময় আকলিমার পক্ষের লোকজনের উদ্যোগে তাদের দ্বিতীয় দফায় বিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে কিছুদিন পর আকলিমা আবারও পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় মামলাটি খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে মিথ্যা অভিযোগ এনে হয়রানির অভিযোগে ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট আইনে আকলিমা বেগমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর বুধবার দুপুরে বাউফল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের নির্দেশে আকলিমা বেগম নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow