স্মৃতির আঙিনায় ব্যাটে-বলের ঝংকার: শেরপুরে প্রবীণ ক্রিকেটারদের মিলনমেলা
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সাবেক ও প্রবীণ ক্রিকেটারদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছিল শেরপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠ। সোমবার বিকেলে এক রুদ্ধশ্বাস ও আবেগঘন ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো 'শেরপুর লিজেন্ড কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সিজন-১'-এর। ফাইনালে প্লাটিনাম স্ট্রাইকারকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছে গোল্ডেন লিজেন্ড ক্লাব। টুর্নামেন্টটির মূল লক্ষ্য ছিল সাবেক খেলোয়াড়দের এক সুতোয় গাঁথা। আয়োজক কমিটি সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর নির্ধারণ করলেও, খেলার টান উপেক্ষা করতে না পেরে ২-১ বছরের কম বয়সী কয়েকজন তরুণও এই উৎসবে শামিল হন। তবে সব ছাপিয়ে এটি যেন হয়ে উঠেছিল শেরপুরের ক্রিকেট ইতিহাসের এক জীবন্ত দলিল। মাঠের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন ডা. ইকবাল হোসেন সনি, সজিব দাস সাজু, মামুনুর রশিদ আপেল , হাবিব, আশকারি, প্রিন্স মাহমুদ, সোহেল রানা, মেহেদী হাসান চন্দন, বাবু, আব্দুল ওয়াদুদ, মাসুম, রাশেদুল হক, রাজন, বিদ্যুৎ, রুমেন আলী, লাভলু , বারি, কানন আহসান, আরিফুর শুভ, ডন, লাম, সবুজ, জনি, আরাফাত, স্বাধীন, শিশির, অমিত কুন্ডু, প্রদীপ, সম্রাট, শামিম, জসীম, চঞ্চল, হাসান, মুজাহিদসহ একঝাঁক সাবেক তারকা। বহুদিন পর পুরনো সতীর্থদের পেয়ে খেল
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সাবেক ও প্রবীণ ক্রিকেটারদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছিল শেরপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠ। সোমবার বিকেলে এক রুদ্ধশ্বাস ও আবেগঘন ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো 'শেরপুর লিজেন্ড কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সিজন-১'-এর।
ফাইনালে প্লাটিনাম স্ট্রাইকারকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছে গোল্ডেন লিজেন্ড ক্লাব। টুর্নামেন্টটির মূল লক্ষ্য ছিল সাবেক খেলোয়াড়দের এক সুতোয় গাঁথা। আয়োজক কমিটি সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর নির্ধারণ করলেও, খেলার টান উপেক্ষা করতে না পেরে ২-১ বছরের কম বয়সী কয়েকজন তরুণও এই উৎসবে শামিল হন। তবে সব ছাপিয়ে এটি যেন হয়ে উঠেছিল শেরপুরের ক্রিকেট ইতিহাসের এক জীবন্ত দলিল। মাঠের লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন ডা. ইকবাল হোসেন সনি, সজিব দাস সাজু, মামুনুর রশিদ আপেল , হাবিব, আশকারি, প্রিন্স মাহমুদ, সোহেল রানা, মেহেদী হাসান চন্দন, বাবু, আব্দুল ওয়াদুদ, মাসুম, রাশেদুল হক, রাজন, বিদ্যুৎ, রুমেন আলী, লাভলু , বারি, কানন আহসান, আরিফুর শুভ, ডন, লাম, সবুজ, জনি, আরাফাত, স্বাধীন, শিশির, অমিত কুন্ডু, প্রদীপ, সম্রাট, শামিম, জসীম, চঞ্চল, হাসান, মুজাহিদসহ একঝাঁক সাবেক তারকা। বহুদিন পর পুরনো সতীর্থদের পেয়ে খেলোয়াড়রা মেতে ওঠেন আনন্দ-উল্লাস আর স্মৃতিচারণে। মাঠের লড়াই ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছিল একে অপরের সাথে আলিঙ্গন আর পুরনো দিনের গল্প।
নির্ধারিত সময়ে শুরু হওয়া ফাইনালে প্লাটিনাম স্ট্রাইকারকে হারিয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখায় গোল্ডেন লিজেন্ড ক্লাব। খেলা শেষে এক আনন্দঘন পরিবেশে বিজয়ী দলের ক্যাপ্টেন আশরাফুল সজীব ও রানারআপ প্লাটিনাম স্টাইকার্সের অধিনায়ক আরিফুর রহমান শুভ’র হাতে ট্রফি তুলে দেন ডাক্তার আমিরুল ইসলাম।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই টুর্নামেন্ট কেবল জয়-পরাজয়ের নয়, এটি ছিল হৃদয়ের বন্ধন ঝালাই করার এক সুযোগ। শেরপুরের ক্রিকেটকে যারা একসময় সমৃদ্ধ করেছেন, তাদের আবারও মাঠে দেখতে পাওয়া বড় প্রাপ্তি। শেরপুর লিজেন্ড কাপের এই প্রথম আসর শেষ হলেও, খেলোয়াড়দের চোখেমুখে ছিল আগামী সিজনের অপেক্ষা। স্মৃতি আর ভ্রাতৃত্বের এই বন্ধন অটুট থাকুক এমনটাই প্রত্যাশা দর্শকদের।
What's Your Reaction?