‘স্লোগান ৭১’ এর সাবেক সম্পাদক ইমিসহ তিনজন কারাগারে

রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় ‘স্লোগান ৭১’–এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (৮ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। অন্য দুই আসামি হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত এবং আব্দুল আল মামুন। এদিন তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আশাদুল ইসলাম তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৭ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে শাহবাগ থানাধীন শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন সদস্য মাইকে ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে উপস্থিত ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক আসিফ আহমেদ সৈকতকে আটক করা হয়। পরে একই দিন রাত সাড়ে ৯

‘স্লোগান ৭১’ এর সাবেক সম্পাদক ইমিসহ তিনজন কারাগারে

রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় ‘স্লোগান ৭১’–এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (৮ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

অন্য দুই আসামি হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত এবং আব্দুল আল মামুন।

এদিন তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আশাদুল ইসলাম তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৭ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে শাহবাগ থানাধীন শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন সদস্য মাইকে ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে উপস্থিত ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক আসিফ আহমেদ সৈকতকে আটক করা হয়।

পরে একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাতীয় জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও আব্দুল আল মামুনের নেতৃত্বে আরও ১০ থেকে ১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি জড়ো হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তখন পাশের শাহবাগ থানা মসজিদে তারাবিহ নামাজ চলছিল। এসময় আসামিরা লাউডস্পিকারে উসকানিমূলক স্লোগান দেন এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম সচল করার চেষ্টা করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এসময় আসামিরা পুলিশের কাজে বাধা দেন এবং থানা হেফাজতে থাকা আসামি আসিফ আহমেদ সৈকতকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

পরিস্থিতির মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) প্রতিনিধি এ বি যুবায়ের ও মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী আব্দুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

এ ঘটনায় রোববার শাহবাগ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করে।

এমডিএএ/এমআইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow