সড়কে প্রাণ গেল মা-ছেলের 

মৌলভীবাজারের রাজনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান মা ও ছেলে। সোমবার (২৯ জুন) সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের গয়াসপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- ফরিদা বেগম (৪৫) ও তার ছেলে জুবের মিয়া (১৮)। ফরিদা বড়দল গ্রামের শাহ ইদ্রিস আলীর স্ত্রী।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে রাজনগরের মুন্সিবাজার থেকে মা ও ছেলে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে উপজেলার বড়দল গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। গয়াসপুর নামক স্থানে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা প্রাইভেটকার অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশা যাত্রীরা মারাত্মক আহত হন। তাদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে মা ফরিদা বেগম (৪৫) ও ছেলে জুবের মিয়াকে (১৮) ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। বড়দল গ্রামের আব্দুল মালিক বলেন, সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় একটি প্রাইভেটকার ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মা ও ছেলে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।  ঘটনার সত‍্যতা নিশ্চিত করে রাজনগর থানার ওসি মো. ফরিদ উদ্দিন ভূইঁয়া বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখে। আহত অব

সড়কে প্রাণ গেল মা-ছেলের 
মৌলভীবাজারের রাজনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান মা ও ছেলে। সোমবার (২৯ জুন) সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের গয়াসপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- ফরিদা বেগম (৪৫) ও তার ছেলে জুবের মিয়া (১৮)। ফরিদা বড়দল গ্রামের শাহ ইদ্রিস আলীর স্ত্রী।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে রাজনগরের মুন্সিবাজার থেকে মা ও ছেলে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে উপজেলার বড়দল গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। গয়াসপুর নামক স্থানে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা প্রাইভেটকার অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশা যাত্রীরা মারাত্মক আহত হন। তাদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে মা ফরিদা বেগম (৪৫) ও ছেলে জুবের মিয়াকে (১৮) ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। বড়দল গ্রামের আব্দুল মালিক বলেন, সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় একটি প্রাইভেটকার ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মা ও ছেলে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।  ঘটনার সত‍্যতা নিশ্চিত করে রাজনগর থানার ওসি মো. ফরিদ উদ্দিন ভূইঁয়া বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখে। আহত অবস্থায় তাদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow