হজের ভিসা দেওয়া শুরু হচ্ছে আজ

হজযাত্রীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা দেওয়া শুরু হচ্ছে আজ রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে। পবিত্র হজের মৌসুম সামনে রেখে এ ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। এক প্রতিবেদনে গালফ নিউজ জানিয়েছে, হজ কার্যালয়গুলোর জন্য তৈরি করা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর কয়েক মাস আগেই সেবার মান নিশ্চিত করা ও প্রস্তুতি কার্যক্রম গুছিয়ে নিতেই মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগ। আগাম ভিসা কার্যক্রম শুরুর ফলে বিশ্বজুড়ে হজযাত্রীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয় গেল ৮ জুন। সে সময় থেকেই বিভিন্ন দেশের হজ অফিসগুলোকে পরিকল্পনার প্রাথমিক নথি ও দিকনির্দেশনা পাঠানো হয়। এর ধারাবাহিকতায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘নুসুক মাসার’-এর মাধ্যমে পবিত্র মক্কা ও মদিনার তাঁবুসহ অন্যান্য আবাসন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে অফিসগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের কাজ এগিয়ে নিতে পারছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ২০২৬ সালের শুরুতেই পবিত্র হ

হজের ভিসা দেওয়া শুরু হচ্ছে আজ
হজযাত্রীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা দেওয়া শুরু হচ্ছে আজ রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে। পবিত্র হজের মৌসুম সামনে রেখে এ ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। এক প্রতিবেদনে গালফ নিউজ জানিয়েছে, হজ কার্যালয়গুলোর জন্য তৈরি করা বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর কয়েক মাস আগেই সেবার মান নিশ্চিত করা ও প্রস্তুতি কার্যক্রম গুছিয়ে নিতেই মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগ। আগাম ভিসা কার্যক্রম শুরুর ফলে বিশ্বজুড়ে হজযাত্রীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয় গেল ৮ জুন। সে সময় থেকেই বিভিন্ন দেশের হজ অফিসগুলোকে পরিকল্পনার প্রাথমিক নথি ও দিকনির্দেশনা পাঠানো হয়। এর ধারাবাহিকতায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘নুসুক মাসার’-এর মাধ্যমে পবিত্র মক্কা ও মদিনার তাঁবুসহ অন্যান্য আবাসন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার ফলে অফিসগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের কাজ এগিয়ে নিতে পারছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ২০২৬ সালের শুরুতেই পবিত্র হজ পালনের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। পবিত্র মক্কা ও মদিনায় আবাসন এবং পরিবহনসহ অন্যান্য চুক্তি গত জানুয়ারির মধ্যে শেষ করা হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা ইস্যু শুরু হবে এবং মার্চে ভিসার কাজ শেষ করে হজযাত্রীদের আগমনের প্রস্তুতিমূলক তথ্য জমা দেওয়া হবে। মন্ত্রণালয় বলছে, আগামী ১৮ এপ্রিল (১ জিলকদ) থেকে হজযাত্রীদের প্রথম দল সৌদি আরবে পৌঁছাবে। এর মাধ্যমেই হজ মৌসুমের চূড়ান্ত পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিকাঠামো ও সব সেবা নিশ্চিত করতে নির্ধারিত সূচি কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর জোর দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow