হঠাৎ পদ্মায় ভাঙন, ঘর সরাচ্ছেন জাজিরার বাসিন্দারা

পদ্মা নদীতে স্রোতের তীব্রতায় শরীয়তপুরের জাজিরার কাথুরিয়া এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ১০০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তবে ভাঙন ঠেকাতে ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। সোমবার (১০ আগস্ট) উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া এলাকায় এ ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনে সকাল থেকে কয়েক ঘণ্টায় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ১০০ মিটার এলাকা। এরই মধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অন্তত ১০টি বসতঘর ও ছয়টি দোকান। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও বহু ঘরবাড়ি ও ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান। আরও পড়ুন রাজবাড়ী / পদ্মার ভাঙনে আতঙ্কে স্থানীয়রা, ভেসে যাচ্ছে জিও ব্যাগও চোখের সামনে বসতভিটা, দোকানপাট আর সড়কের অংশ নদীতে বিলীন হতে দেখে আতঙ্কে আছেন স্থানীয়রা। ভাঙনের কারণে কাথুরিয়া গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র সড়কটিরও বেশ কিছু অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা। ঝুঁকিতে থাকা ঘরবাড়ি দ্রুত সরিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তারা। এদিকে ভাঙন ঠেকাতে ঘটনাস্থলে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পদ্মার ভাঙনে ঘরবাড়ি সরাচ্ছেন স্থানীয়রা/ ছবি: জাগো নিউজ ভুক্তভোগী লোকমান বলেন, এলাকায় এখন পর্

হঠাৎ পদ্মায় ভাঙন, ঘর সরাচ্ছেন জাজিরার বাসিন্দারা

পদ্মা নদীতে স্রোতের তীব্রতায় শরীয়তপুরের জাজিরার কাথুরিয়া এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ১০০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তবে ভাঙন ঠেকাতে ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সোমবার (১০ আগস্ট) উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া এলাকায় এ ভাঙন দেখা দেয়।

ভাঙনে সকাল থেকে কয়েক ঘণ্টায় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ১০০ মিটার এলাকা। এরই মধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অন্তত ১০টি বসতঘর ও ছয়টি দোকান। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও বহু ঘরবাড়ি ও ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান।

চোখের সামনে বসতভিটা, দোকানপাট আর সড়কের অংশ নদীতে বিলীন হতে দেখে আতঙ্কে আছেন স্থানীয়রা। ভাঙনের কারণে কাথুরিয়া গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র সড়কটিরও বেশ কিছু অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা।

ঝুঁকিতে থাকা ঘরবাড়ি দ্রুত সরিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তারা। এদিকে ভাঙন ঠেকাতে ঘটনাস্থলে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

হঠাৎ পদ্মায় ভাঙন, ঘর সরাচ্ছেন জাজিরার বাসিন্দারাপদ্মার ভাঙনে ঘরবাড়ি সরাচ্ছেন স্থানীয়রা/ ছবি: জাগো নিউজ

ভুক্তভোগী লোকমান বলেন, এলাকায় এখন পর্যন্ত বাঁধের কাজ শুরু করা হয়নি। কয়েক মাস আগে কিছু জিওব্যাগ ফেলেছিলো। আজ ভাঙন শুরু হলে আমার ঘরটি সরিয়ে নিতে হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড যদি বর্ষার আগে থেকে বেড়িবাঁধের কাজ শুরু করতো তাহলে আমার বাড়িটি ভাঙনের মুখে পড়তো না।

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা বরকত মিয়া বলেন, হঠাৎ করেই ভোররাতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। আমাদের আশেপাশের বাড়িঘরগুলো সরিয়ে নিচ্ছি। যদি ভাঙন ঠেকানো না যায় তাহলে আমাদের অনেক বাড়িঘর নদীতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এম এ শামীম বলেন, সকাল থেকে কাথুরিয়া এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙনরোধ করা সম্ভব হবে।

বিধান মজুমদার অনি/এসজেডএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow