হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজল খলার ধান, বিপাকে হাওরের কৃষকরা
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে প্রচণ্ড গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টিতে খলায় শুকাতে দেওয়া ধান ভিজে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। কেউ তড়িঘড়ি করে ধান ঘরে তুলতে পারলেও অনেকের ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রোববার (১০ মে) দুপুর ৩টার দিকে হঠাৎ আকাশ কালো করে বৃষ্টি শুরু হলে জেলার বিভিন্ন হাওর এলাকায় খোলা জায়গায় (খলা) রাখা ধান ভিজে যায়। গত কয়েক দিন কড়া রোদ থাকায় কৃষকরা ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু আকস্মিক এই বৃষ্টি সেই স্বস্তি মুহূর্তেই দুশ্চিন্তায় পরিণত করেছে।
ইটনা উপজেলার এলংজুরী ইউনিয়নের বড়হাতকবিলা গ্রামের বড় গৃহস্থ মো. চন্নু ভুইয়া প্রায় ৪৫ একর জমিতে বোরো আবাদ করেছেন।
তিনি জানান, তার প্রায় ৪০০ মণ ধান খলায় শুকাতে দেওয়া ছিল। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সকালে রোদ থাকায় ধান শুকাতে দিছিলাম। হঠাৎ বৃষ্টি এসে সব ভিজিয়ে দিল। দ্রুত শুকাতে না পারলে ধান নষ্ট হয়ে যাবে।
একই উপজেলার আরেক কৃষক মো. আমির হোসেন জানান, তার ২০ একর জমির ধানের মধ্যে ১০ একর এমনিতেই ঢলে তলিয়ে গেছে। অবশিষ্ট ভেজা ধান কেটে আনার পরও স্বস্তি নেই। তিনি বলেন, খলায় ধান আর খড় শুকাতে দিছিলাম, তাও বৃষ্টিতে ভিজল। এখন খড় সামলাবো নাকি ধান- বুঝ
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে প্রচণ্ড গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টিতে খলায় শুকাতে দেওয়া ধান ভিজে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। কেউ তড়িঘড়ি করে ধান ঘরে তুলতে পারলেও অনেকের ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রোববার (১০ মে) দুপুর ৩টার দিকে হঠাৎ আকাশ কালো করে বৃষ্টি শুরু হলে জেলার বিভিন্ন হাওর এলাকায় খোলা জায়গায় (খলা) রাখা ধান ভিজে যায়। গত কয়েক দিন কড়া রোদ থাকায় কৃষকরা ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু আকস্মিক এই বৃষ্টি সেই স্বস্তি মুহূর্তেই দুশ্চিন্তায় পরিণত করেছে।
ইটনা উপজেলার এলংজুরী ইউনিয়নের বড়হাতকবিলা গ্রামের বড় গৃহস্থ মো. চন্নু ভুইয়া প্রায় ৪৫ একর জমিতে বোরো আবাদ করেছেন।
তিনি জানান, তার প্রায় ৪০০ মণ ধান খলায় শুকাতে দেওয়া ছিল। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সকালে রোদ থাকায় ধান শুকাতে দিছিলাম। হঠাৎ বৃষ্টি এসে সব ভিজিয়ে দিল। দ্রুত শুকাতে না পারলে ধান নষ্ট হয়ে যাবে।
একই উপজেলার আরেক কৃষক মো. আমির হোসেন জানান, তার ২০ একর জমির ধানের মধ্যে ১০ একর এমনিতেই ঢলে তলিয়ে গেছে। অবশিষ্ট ভেজা ধান কেটে আনার পরও স্বস্তি নেই। তিনি বলেন, খলায় ধান আর খড় শুকাতে দিছিলাম, তাও বৃষ্টিতে ভিজল। এখন খড় সামলাবো নাকি ধান- বুঝতে পারছি না।
নিকলী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র অবজারভার আক্তার ফারুক জানান, এদিন দুপুর ২টা ১০ মিনিট থেকে ৩টা পর্যন্ত ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দুপুর ১২টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ধনু, বৌলাই ও মগরা নদীর পানি সামান্য কমলেও অষ্টগ্রাম পয়েন্টে কালনী নদীর পানি ২ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে হাওরে আগাম বন্যার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সাদিকুর রহমান বলেন, ভেজা ধান দ্রুত শুকানোর ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে ধানের মান নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমরা কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছি।