হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, কেন্দ্র সচিবসহ ৩ জনকে অব্যাহতি

হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সারা দেশে এক সেটে পরীক্ষা হলেও এই কেন্দ্রের একটি কক্ষে শিক্ষার্থীদের অন্য সেটে প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার দায়ে কেন্দ্র সচিবসহ তিনজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাপিয়া আক্তার। অব্যাহতিপ্রাপ্তরা হলেন— কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক মিয়া, হল সুপার মো. খাইরুদ্দীন এবং ট্যাগ অফিসার মিজানুর রহমান। পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে তারা আর কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে কোরআন মজিদ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশে ‘যমুনা-১’ সেটে পরীক্ষা নেওয়া হলেও হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের একটি কক্ষে ১০০ জন পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত ‘মেঘনা-১’ সেটের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্র ত্যাগ করার পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাপিয়া আক্তার জানান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, কেন্দ্র সচিবসহ ৩ জনকে অব্যাহতি

হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সারা দেশে এক সেটে পরীক্ষা হলেও এই কেন্দ্রের একটি কক্ষে শিক্ষার্থীদের অন্য সেটে প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার দায়ে কেন্দ্র সচিবসহ তিনজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাপিয়া আক্তার।

অব্যাহতিপ্রাপ্তরা হলেন— কেন্দ্র সচিব মো. ফারুক মিয়া, হল সুপার মো. খাইরুদ্দীন এবং ট্যাগ অফিসার মিজানুর রহমান। পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে তারা আর কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দাখিল পরীক্ষার প্রথম দিনে কোরআন মজিদ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশে ‘যমুনা-১’ সেটে পরীক্ষা নেওয়া হলেও হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের একটি কক্ষে ১০০ জন পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত ‘মেঘনা-১’ সেটের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্র ত্যাগ করার পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাপিয়া আক্তার জানান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ১০০টি খাতা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে। এতে শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হবে না। তাদের খাতাগুলো আলাদা করে হাতেহাতে পাঠানো হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার কারণে কেন্দ্র সচিব, হল সুপার ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন না। সিদ্ধান্তগুলো মঙ্গলবার বিকেলে হয়েছে। কিন্তু চিঠি পৌঁছেছে আজ (বুধবার)।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, পরীক্ষার আগে প্রশ্নের তিনটি সেট তৈরি করা হয়। একটি সেটে পরীক্ষা নেওয়া হয়। অন্যগুলো বিকল্প হিসেবে থাকে। এক সেটের সঙ্গে অন্য সেটের প্রশ্নের ২০ শতাংশের বেশি মিল থাকে না। পরীক্ষা হলে এমন অসতর্কতা কাম্য নয়।

উল্লেখ্য, ওই কেন্দ্রে নিবন্ধিত ৬২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মঙ্গলবার ৬০৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলেই অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পৌঁছেছে।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow