হরমুজ খুলতেই যুদ্ধবিরতির জন্য ট্রাম্পকে চাপ দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ?

মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। একাধিক মার্কিন, পশ্চিমা ও আরব কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ ব্যক্তিগত ফোনালাপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেবাননে যুদ্ধবিরতির গুরুত্ব বোঝান। এরপরই ট্রাম্প ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন, যা অনেক কর্মকর্তার মতে সৌদি আরবের কূটনৈতিক তৎপরতার ফল। এই উদ্যোগের পেছনে মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনাকে সচল রাখা। সৌদি নেতৃত্ব মনে করছে, লেবাননে সংঘাত বন্ধ না হলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপও এগোবে না। তবে এই যুদ্ধবিরতি কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই চুক্তি মানবেন কিনা এবং ওয়াশিংটন তার ওপর কতটা চাপ প্রয়োগ করবে-তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এদিকে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দেশটির সরকারের ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার সমালোচনা করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ-সহ

হরমুজ খুলতেই যুদ্ধবিরতির জন্য ট্রাম্পকে চাপ দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ?

মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। একাধিক মার্কিন, পশ্চিমা ও আরব কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট আই।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ ব্যক্তিগত ফোনালাপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেবাননে যুদ্ধবিরতির গুরুত্ব বোঝান। এরপরই ট্রাম্প ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন, যা অনেক কর্মকর্তার মতে সৌদি আরবের কূটনৈতিক তৎপরতার ফল।

এই উদ্যোগের পেছনে মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনাকে সচল রাখা। সৌদি নেতৃত্ব মনে করছে, লেবাননে সংঘাত বন্ধ না হলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপও এগোবে না।

তবে এই যুদ্ধবিরতি কতটা কার্যকর হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই চুক্তি মানবেন কিনা এবং ওয়াশিংটন তার ওপর কতটা চাপ প্রয়োগ করবে-তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এদিকে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ দেশটির সরকারের ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার সমালোচনা করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ-সহ শীর্ষ নেতারা স্পষ্ট করেছেন যে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থবহ আলোচনা সম্ভব নয়।

এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, যদিও বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের সমর্থন ছাড়া এই প্রক্রিয়া এগোনো কঠিন।

সব মিলিয়ে, লেবাননের পরিস্থিতি এখন শুধু একটি আঞ্চলিক সংঘাত নয়-বরং এটি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

এমকেএম 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow