হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না: ইরান

গত দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার উদ্যোগ নেয়নি ইরান এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণও ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে নতুন দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর সিএনএনের। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া। অথচ গত ১৬-১৭ দিনে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য কোনো অনুরোধ পাঠাইনি। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বিরোধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশের বেশি এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এই কৌশলগত জলপথে অবাধ নৌ চলাচল পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। তবে গারিবাবাদি বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। আর প্রণালিটি যদি আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তাহলে এই যুদ্ধে আমাদের সাফল্য পূর্ণাঙ্গ হবে না। তার দাবি, গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সমুদ্রপথে মাইন অপসারণের

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না: ইরান
গত দুই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার উদ্যোগ নেয়নি ইরান এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণও ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে নতুন দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর সিএনএনের। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া। অথচ গত ১৬-১৭ দিনে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য কোনো অনুরোধ পাঠাইনি। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বিরোধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশের বেশি এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এই কৌশলগত জলপথে অবাধ নৌ চলাচল পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। তবে গারিবাবাদি বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। আর প্রণালিটি যদি আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তাহলে এই যুদ্ধে আমাদের সাফল্য পূর্ণাঙ্গ হবে না। তার দাবি, গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সমুদ্রপথে মাইন অপসারণের দায়িত্ব ইরানের। এ কারণে মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে প্রণালির কাছে আসতে দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, ওমান দক্ষিণাঞ্চলে মাইন অপসারণের জন্য অন্য একটি দেশকে আনতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা তা অনুমোদন করিনি। গারিবাবাদি ইঙ্গিত দেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে ইরান যাতায়াত ফি আদায়ের অধিকারও সংরক্ষণ করে। তার মতে, সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ইরান কেবল ৬০ দিনের জন্য বিনামূল্যে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বাধ্য। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালির নতুন ব্যবস্থাপনা নিয়ে চলতি মাসজুড়ে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা অব্যাহত থাকলেও এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছানো যায়নি। সূত্র : সিএনএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow