হাঁস নিয়ে বিরোধ, নাতির লাথিতে প্রাণ গেল নানির
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় হাঁস নিয়ে সৃষ্ট পারিবারিক বিরোধের জেরে নাতির লাথিতে আহত হয়ে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু। এর আগে রোববার বিকেলে উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রূপচান মাঝির বাড়িতে নাতির লাথিতে আহত হন তিনি। নিহত ইয়ারুন নেসা (৬০) পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের রূপচান মাঝির স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইয়ারুন নেসা ও তার নাতি মো. মেহেদী হাসানের পরিবারের পৃথক দুটি হাঁস ছিল। নাতি তার হাঁস খুঁজে না পেয়ে দাদির হাঁসটিকে নিজের দাবি করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তর্কের একপর্যায়ে ইয়ারুন নেসা হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে নাতিকে আঘাত করেন। পরে ক্ষুব্ধ হয়ে মেহেদী হাসান তার নানিকে লাথি মারলে তিনি মাটিতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় হাঁস নিয়ে সৃষ্ট পারিবারিক বিরোধের জেরে নাতির লাথিতে আহত হয়ে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু। এর আগে রোববার বিকেলে উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রূপচান মাঝির বাড়িতে নাতির লাথিতে আহত হন তিনি।
নিহত ইয়ারুন নেসা (৬০) পূর্ব ভূতেরদিয়া গ্রামের রূপচান মাঝির স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইয়ারুন নেসা ও তার নাতি মো. মেহেদী হাসানের পরিবারের পৃথক দুটি হাঁস ছিল। নাতি তার হাঁস খুঁজে না পেয়ে দাদির হাঁসটিকে নিজের দাবি করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তর্কের একপর্যায়ে ইয়ারুন নেসা হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে নাতিকে আঘাত করেন। পরে ক্ষুব্ধ হয়ে মেহেদী হাসান তার নানিকে লাথি মারলে তিনি মাটিতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বড় ছেলে সোহরাব মাঝি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সামান্য একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আমার মায়ের এমন পরিণতি হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেদারপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রোকনুজ্জামান বলেন, হাঁস নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি থেকেই পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরেই এমন ঘটনা ঘটেছে।
বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
What's Your Reaction?