হাঁসের ডিম বিক্রির টাকা উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত শামা ওবায়েদ

হাঁসের ডিম বিক্রি করে উপার্জিত টাকা মাটির ব্যাংকে জমিয়ে রাখতেন হালিমা বেগম। সেই টাকা উপহার হিসেবে ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামা ওবায়েদের হাতে তুলে দিয়েছেন ওই নারী। উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শামা ওবায়েদ। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের দিয়াকুলী গ্রামে নির্বাচনি উঠান বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকের শুরুতেই স্থানীয় নারী ভোটার হালিমা বেগম শামা ওবায়েদের হাতে একটি মাটির ব্যাংক তুলে দেন। হালিমা বেগম জানান, তিনি নিজের পালা হাঁসের ডিম বিক্রি করে টাকাগুলো মাটির ব্যাংকে জমিয়েছিলেন। জমানো সেই টাকা শামা ওবায়েদের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছেন। এতে নিজের কাছে খুব ভালো লেগেছে। এসময় হালিমা বেগমকে বুকে টেনে নিয়ে শামা ওবায়েদ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‌‘আমার বাবাকে যে আপনার এত ভালোবাসেন, আমি এই ভালোবাসার ঋণ কোনো দিন শোধ করতে পারব না। আমি চিরকৃতজ্ঞ।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখানে উপস্থিত হয়েছি আপনাদের মেয়ে হিসেবে, আপনাদের বোন হিসেবে। আজ আমার বাবার মৃত্যুর ১৮ বছরে আমি চেষ্টা করেছি আপনাদের পাশে থাকার। আপনাদের সুখে-দুঃখে অংশীদার হওয়ার, আপনাদের জন্য কাজ করার। কতটুকু পে

হাঁসের ডিম বিক্রির টাকা উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত শামা ওবায়েদ

হাঁসের ডিম বিক্রি করে উপার্জিত টাকা মাটির ব্যাংকে জমিয়ে রাখতেন হালিমা বেগম। সেই টাকা উপহার হিসেবে ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামা ওবায়েদের হাতে তুলে দিয়েছেন ওই নারী। উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শামা ওবায়েদ।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের দিয়াকুলী গ্রামে নির্বাচনি উঠান বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকের শুরুতেই স্থানীয় নারী ভোটার হালিমা বেগম শামা ওবায়েদের হাতে একটি মাটির ব্যাংক তুলে দেন।

হালিমা বেগম জানান, তিনি নিজের পালা হাঁসের ডিম বিক্রি করে টাকাগুলো মাটির ব্যাংকে জমিয়েছিলেন। জমানো সেই টাকা শামা ওবায়েদের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছেন। এতে নিজের কাছে খুব ভালো লেগেছে।

এসময় হালিমা বেগমকে বুকে টেনে নিয়ে শামা ওবায়েদ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‌‘আমার বাবাকে যে আপনার এত ভালোবাসেন, আমি এই ভালোবাসার ঋণ কোনো দিন শোধ করতে পারব না। আমি চিরকৃতজ্ঞ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখানে উপস্থিত হয়েছি আপনাদের মেয়ে হিসেবে, আপনাদের বোন হিসেবে। আজ আমার বাবার মৃত্যুর ১৮ বছরে আমি চেষ্টা করেছি আপনাদের পাশে থাকার। আপনাদের সুখে-দুঃখে অংশীদার হওয়ার, আপনাদের জন্য কাজ করার। কতটুকু পেরেছি, না পেরেছি আল্লাহ জানেন। তবে আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আজীবন আপনাদের পাশে থাকবো।’

এন কে বি নয়ন/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow