হাজারীবাগে বিষপানে যুবকের আত্মহত্যা

রাজধানীর হাজারীবাগ থানাধীন বউবাজার সনাতনগড় এলাকায় মো. নাঈম (১৯) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই যুবক বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ। রোববার (১২ এপ্রিল) দিনগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। হাজারীবাগ থানা পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) জানিয়েছেন, খবর পেয়ে হাজারীবাগের একটি রাস্তার পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বজনদের বরাতে তিনি জানান, নাঈম দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। এ কারণে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। নাঈমের বাবা কামরুল ইসলাম বলেন, আমি একজন রিকশাচালক। আমার ছেলে কিছুই করে না। সে মানসিক সমস্যায় ভুগছিল, তার চিকিৎসাও করিয়েছি এবং অনেক টাকা খরচ করেছি। কিন্তু দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া আমাদের মতো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। এ নিয়ে তার সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। সে অভিমানে কীটনাশক পান ক

হাজারীবাগে বিষপানে যুবকের আত্মহত্যা

রাজধানীর হাজারীবাগ থানাধীন বউবাজার সনাতনগড় এলাকায় মো. নাঈম (১৯) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই যুবক বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।

রোববার (১২ এপ্রিল) দিনগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

হাজারীবাগ থানা পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) জানিয়েছেন, খবর পেয়ে হাজারীবাগের একটি রাস্তার পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্বজনদের বরাতে তিনি জানান, নাঈম দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। এ কারণে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নাঈমের বাবা কামরুল ইসলাম বলেন, আমি একজন রিকশাচালক। আমার ছেলে কিছুই করে না। সে মানসিক সমস্যায় ভুগছিল, তার চিকিৎসাও করিয়েছি এবং অনেক টাকা খরচ করেছি। কিন্তু দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া আমাদের মতো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। এ নিয়ে তার সঙ্গে মনোমালিন্য হয়। সে অভিমানে কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছে।

নাঈমের গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদরের নলিমাইয়ায়। বর্তমানে হাজারীবাগ বউবাজার সনাতনগর এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন।

কাজী আল-আমিন/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow