হাজিরা খাতায় সই করে ‘উধাও’ শিক্ষিকা, পরিদর্শনে গিয়ে এমপির ক্ষোভ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে কর্মস্থল ত্যাগের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। সোমবার (৪ মে) বেলা ১১টার দিকে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী। উপজেলার বানিয়াগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ছয়জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। এর মধ্যে একজন ছুটিতে থাকলেও বাকি পাঁচজনের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষককে পাওয়া যায়। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকলেও হেলেনা খাতুন নামের এক শিক্ষিকাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সংসদ সদস্য কিছু সময় বিদ্যালয়ে অবস্থান করেও তার উপস্থিতি নিশ্চিত হতে পারেননি। পরে বিষয়টি পরিদর্শন বইয়ে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের পাশেই ওই শিক্ষিকার নানাবাড়ি। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রায়ই স্কুলে এসে হাজিরা দিয়ে সেখানে চলে যান ও দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার আকন্দ বলেন, সংসদ সদস্য পরিদর্শনে এলে ও

হাজিরা খাতায় সই করে ‘উধাও’ শিক্ষিকা, পরিদর্শনে গিয়ে এমপির ক্ষোভ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দিয়ে কর্মস্থল ত্যাগের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। সোমবার (৪ মে) বেলা ১১টার দিকে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী।

উপজেলার বানিয়াগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ছয়জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। এর মধ্যে একজন ছুটিতে থাকলেও বাকি পাঁচজনের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষককে পাওয়া যায়। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকলেও হেলেনা খাতুন নামের এক শিক্ষিকাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

সংসদ সদস্য কিছু সময় বিদ্যালয়ে অবস্থান করেও তার উপস্থিতি নিশ্চিত হতে পারেননি। পরে বিষয়টি পরিদর্শন বইয়ে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের পাশেই ওই শিক্ষিকার নানাবাড়ি। অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রায়ই স্কুলে এসে হাজিরা দিয়ে সেখানে চলে যান ও দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন।

হাজিরা খাতায় সই করে ‘উধাও’ শিক্ষিকা, পরিদর্শনে গিয়ে এমপির ক্ষোভ

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার আকন্দ বলেন, সংসদ সদস্য পরিদর্শনে এলে ওই শিক্ষিকা বিদ্যালয়ে ছিলেন না। তবে তার দাবি, সকালে তিনি স্কুলে এসে ক্লাস নিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, হাজিরা খাতায় পাঁচজন শিক্ষকের স্বাক্ষর থাকলেও চারজনকে পাওয়া গেছে। অনুপস্থিত শিক্ষিকা কোথায় গেছেন, সে বিষয়ে প্রধান শিক্ষকও স্পষ্ট কিছু জানাতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘কোনো উপর্যুক্ত কারণ ছাড়া স্কুল চলাকালীন কর্মস্থল ত্যাগ করা গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এইচ এম কামাল/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow