হাটহাজারীর আলোচিত আজিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি দিদারুল গ্রেফতার
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে আলোচিত নুরুল আজিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. দিদারুল আলম (৪৭) ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হয়েছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি কিরিচ ও একটি রামদাও উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পুলিশ জানায়, গত ১০ জুলাই সকালে হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নের পশ্চিম মেখল এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে মুহাম্মদ নুরুল আজিমকে প্রথমে গুলি করে, পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যৌথ অভিযানে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি মোহাম্মদ মোরশেদ প্রকাশ আকিল ও মো. আলী আকবরকে গ্রেফতার করা হলেও প্রধান আসামি দিদারুল আলম পালিয়ে যান। এরপর তিনি বাকলিয়া, রাউজান, খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি, সিলেটের গোয়াইনঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থেকে সর্বশেষ ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবস্থান নেন। গোপন তথ্য, প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান ও ধারাবাহিক নজরদারির ভিত্তিতে রোববার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জ থানার গাদাবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ। আরও পড়ুন হাটহাজারীতে ‘পুলিশ
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে আলোচিত নুরুল আজিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. দিদারুল আলম (৪৭) ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হয়েছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি কিরিচ ও একটি রামদাও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১০ জুলাই সকালে হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নের পশ্চিম মেখল এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে মুহাম্মদ নুরুল আজিমকে প্রথমে গুলি করে, পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যৌথ অভিযানে মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি মোহাম্মদ মোরশেদ প্রকাশ আকিল ও মো. আলী আকবরকে গ্রেফতার করা হলেও প্রধান আসামি দিদারুল আলম পালিয়ে যান।
এরপর তিনি বাকলিয়া, রাউজান, খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি, সিলেটের গোয়াইনঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থেকে সর্বশেষ ঢাকার কেরানীগঞ্জে অবস্থান নেন। গোপন তথ্য, প্রযুক্তিনির্ভর অনুসন্ধান ও ধারাবাহিক নজরদারির ভিত্তিতে রোববার (২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জ থানার গাদাবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দিদারুল আলম জানিয়েছেন, জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নুরুল আজিমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের ধারাবাহিকতায় সহযোগী আকিলকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটান বলে তিনি স্বীকার করেছেন। পরে তার দেখানো মতে নিজ বাড়ির গোয়ালঘরে লুকিয়ে রাখা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি কিরিচ ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ছয়টি সাজা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকরের অপেক্ষায় ছিল। অন্যদিকে সহযোগী মোরশেদের বিরুদ্ধে চারটি মামলা এবং এক বছরের সাজা পরোয়ানা ছিল।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, সন্ত্রাস, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এমআরএএইচ/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?
