হাতিরঝিলে শিশুসহ মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, উদ্ধার করলেন আনসার সদস্য

রাজধানীর হাতিরঝিলে ১১ মাসের শিশুকে কোলে নিয়ে আত্মহননের চেষ্টা চালিয়েছিলেন এক নারী। তবে আনসার সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকায় আত্মহত্যা থেকে রক্ষা পেয়েছেন নারী ও তার কোলে থাকা শিশু। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে রাজউকের প্রকল্প এলাকায় টহলরত আনসার সদস্য জাহিদুল ও রেদওয়ান দেখতে পান, এক নারী কোলের শিশুকে নিয়ে চলন্ত গাড়ির সামনে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা তাৎক্ষণিক ছুটে গিয়ে ঐ নারীকে বাধা দেন।  কিন্তু তিনি বাঁচতে চান না বলে চিৎকার করে রাস্তা থেকে সরতে না চাইলে। একপর্যায়ে সেখানে টহলরত র‌্যাব-৩ সদস্যরাসহ মিলে ঐ নারীকে শান্ত করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসে। পরে হাতিরঝিলে থানা পুলিশের ডিউটি অফিসারসহ আনসার সদস্যরা তার কাছ থেকে পরিবারের তথ্য ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে ফোন করেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তার স্বামী শরিফুল ইসলাম। তিনি জানান, ৩০ বছর বয়সী ফারজানা নামের ঐ নারী হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছেন এবং কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। চিকিৎসার জন্য তারা নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা ম

হাতিরঝিলে শিশুসহ মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, উদ্ধার করলেন আনসার সদস্য
রাজধানীর হাতিরঝিলে ১১ মাসের শিশুকে কোলে নিয়ে আত্মহননের চেষ্টা চালিয়েছিলেন এক নারী। তবে আনসার সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকায় আত্মহত্যা থেকে রক্ষা পেয়েছেন নারী ও তার কোলে থাকা শিশু। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে রাজউকের প্রকল্প এলাকায় টহলরত আনসার সদস্য জাহিদুল ও রেদওয়ান দেখতে পান, এক নারী কোলের শিশুকে নিয়ে চলন্ত গাড়ির সামনে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা তাৎক্ষণিক ছুটে গিয়ে ঐ নারীকে বাধা দেন।  কিন্তু তিনি বাঁচতে চান না বলে চিৎকার করে রাস্তা থেকে সরতে না চাইলে। একপর্যায়ে সেখানে টহলরত র‌্যাব-৩ সদস্যরাসহ মিলে ঐ নারীকে শান্ত করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসে। পরে হাতিরঝিলে থানা পুলিশের ডিউটি অফিসারসহ আনসার সদস্যরা তার কাছ থেকে পরিবারের তথ্য ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে ফোন করেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তার স্বামী শরিফুল ইসলাম। তিনি জানান, ৩০ বছর বয়সী ফারজানা নামের ঐ নারী হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছেন এবং কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। চিকিৎসার জন্য তারা নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা মেডিকেলে এসেছিলেন। এর মধ্যে মালিবাগে আত্মীয়ের বাসা থেকে তিনি শিশুকে নিয়ে বের হয়ে যান। আনসার সদস্যরা অক্ষত অবস্থায় মা ও শিশুকে শরিফুলের কাছে হস্তান্তর করেন। স্ত্রী ও শিশু সন্তানের জীবন বাঁচাতে দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য শরিফুল ইসলাম আনসার বাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এমন মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা উপস্থিত সাধারণ মানুষের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow