হাতেনাতে সঙ্গীর চিটিং ধরার ভাইরাল উপায়

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি নতুন ট্রেন্ড বেশ ভাইরাল হয়েছে ‘ডিভোর্স ডাস্ট’। নাম শুনে মনে হতে পারে, এটি বুঝি সম্পর্ক ভাঙার কোনো নতুন তত্ত্ব। আসলে তা নয়। বরং এটি এমন এক কৌশল, যার মাধ্যমে সম্পর্কের বিশ্বস্ততা যাচাই করার দাবি করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রেমিক বা স্বামী প্রতারণা করছেন কি না, তা ধরতে এই ‘ডাস্ট’ নাকি কার্যকর ফাঁদ! তবে বিতর্কও কম নয়। ডিভোর্স ডাস্ট আসলে কী?‘ডিভোর্স ডাস্ট’ বলতে বোঝানো হচ্ছে বডি গ্লিটার ব্যবহার করে প্রতারণা ধরার একটি কৌশল। গ্লিটার অর্থাৎ মেকআপের সেই ঝকঝকে কণা, যা আলো পড়লে চকচক করে ওঠে। সাধারণত চোখের পাতা, গাল, কলারবোন বা কাঁধে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই ট্রেন্ডে গ্লিটার শুধুই সাজসজ্জার উপাদান নয়, বরং প্রমাণ সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ধারণার সূত্রপাতপ্রায় এক বছর আগে টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে এই ট্রেন্ডের সূচনা। কিছু ব্যবহারকারী দাবি করেন, শারীরিক ঘনিষ্ঠতার সময় গ্লিটার সহজেই এক জনের শরীর থেকে অন্য জনের শরীরে ছড়িয়ে যায়। ফলে যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কারো সঙ্গে গোপনে দেখা করেন, সেই গ্লিটারের চিহ্ন নাকি প্রমাণ হয়ে উঠতে পারে। কিছু পোস্টে এমন মন্তব্যও দেখা যায়-ম্

হাতেনাতে সঙ্গীর চিটিং ধরার ভাইরাল উপায়

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি নতুন ট্রেন্ড বেশ ভাইরাল হয়েছে ‘ডিভোর্স ডাস্ট’। নাম শুনে মনে হতে পারে, এটি বুঝি সম্পর্ক ভাঙার কোনো নতুন তত্ত্ব। আসলে তা নয়। বরং এটি এমন এক কৌশল, যার মাধ্যমে সম্পর্কের বিশ্বস্ততা যাচাই করার দাবি করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রেমিক বা স্বামী প্রতারণা করছেন কি না, তা ধরতে এই ‘ডাস্ট’ নাকি কার্যকর ফাঁদ! তবে বিতর্কও কম নয়।

ডিভোর্স ডাস্ট আসলে কী?
‘ডিভোর্স ডাস্ট’ বলতে বোঝানো হচ্ছে বডি গ্লিটার ব্যবহার করে প্রতারণা ধরার একটি কৌশল। গ্লিটার অর্থাৎ মেকআপের সেই ঝকঝকে কণা, যা আলো পড়লে চকচক করে ওঠে। সাধারণত চোখের পাতা, গাল, কলারবোন বা কাঁধে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই ট্রেন্ডে গ্লিটার শুধুই সাজসজ্জার উপাদান নয়, বরং প্রমাণ সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

fgh

এই ধারণার সূত্রপাত
প্রায় এক বছর আগে টিকটক ও ইনস্টাগ্রামে এই ট্রেন্ডের সূচনা। কিছু ব্যবহারকারী দাবি করেন, শারীরিক ঘনিষ্ঠতার সময় গ্লিটার সহজেই এক জনের শরীর থেকে অন্য জনের শরীরে ছড়িয়ে যায়। ফলে যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কারো সঙ্গে গোপনে দেখা করেন, সেই গ্লিটারের চিহ্ন নাকি প্রমাণ হয়ে উঠতে পারে।

কিছু পোস্টে এমন মন্তব্যও দেখা যায়-ম্যারেড মেন হেট গ্লিটার্স অর্থাৎ বিবাহিত পুরুষেরা নাকি গ্লিটার অপছন্দ করেন, কারণ এতে ধরা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেখান থেকেই ‘গ্লিটার’ নতুন নাম পায় ‘ডিভোর্স ডাস্ট’।

fgh

কীভাবে কাজ করে?
কৌশলটি হলো ডেটে যাওয়ার সময় বা সঙ্গীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে শরীরের নির্দিষ্ট অংশে, যেমন কলারবোন, কাঁধ বা হাতে বেশি করে গ্লিটার লাগানো। ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে সেই গ্লিটার সঙ্গীর শরীর, জামাকাপড়, গাড়ির সিট বা সোফায় লেগে থাকতে পারে। গ্লিটার খুব সূক্ষ্ম কণার তৈরি। তা কাপড়, ত্বক, এমনকি আসবাবেও সহজে লেগে যায়। ধোয়া বা ঝাড়ার পরেও অনেক সময় পুরোপুরি ওঠে না। তাই কেউ যদি অন্য কারো সঙ্গে সময় কাটান, তার শরীরে বা পোশাকে গ্লিটার থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেটিকেই অনেকে ‘প্রমাণ’ হিসেবে দেখছেন।

তবে এখানেই প্রশ্ন। গ্লিটার তো বাস, মেট্রো বা ভিড়ের মধ্যেও লেগে যেতে পারে। কোনো পার্টি, অনুষ্ঠান বা অফিস মিটিংয়েও এমন হতে পারে। ফলে শুধুমাত্র গ্লিটার দেখেই সম্পর্ক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া কি যুক্তিযুক্ত?

cgh

ট্রেন্ড না সম্পর্কের ফাঁদ?
ডিভোর্স ডাস্ট একদিকে যেমন কৌতূহল তৈরি করেছে, তেমনই সম্পর্কের ভিত নড়বড়ে করে দেওয়ার আশঙ্কাও তৈরি করেছে। সন্দেহ যদি আগে থেকেই থাকে, গ্লিটার তা বাড়িয়ে তুলতে পারে। আবার ভুল বোঝাবুঝির কারণও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি বিশ্বাস ও খোলামেলা কথোপকথন। কোনো ‘ফাঁদ’ পেতে সঙ্গীকে পরীক্ষা করার চেয়ে সরাসরি আলোচনা অনেক বেশি কার্যকর।

সামাজিক মাধ্যমের ট্রেন্ড মজার হতে পারে, কিন্তু বাস্তব জীবনে তার প্রভাব ভেবেচিন্তে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ এক চিমটে গ্লিটার যেমন আলো ঝলমলে করে তুলতে পারে, তেমনই ভুল সন্দেহের আগুনও জ্বালাতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি মিডিয়াম

আরও পড়ুন:
আপনার সঙ্গী কি একজন নার্সিসিস্ট, মিলিয়ে নিন
পরকীয়া করছে সঙ্গী, জানার পর যা করবে

এসএকেওয়াই

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow