হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিশেষায়িত সেবা ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটালের
দেশজুড়ে চলমান হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করেছে। একইসঙ্গে অন্যান্য রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাসপাতালজুড়ে আন্তর্জাতিক মানের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ প্রটোকল অনুসরণ করা হচ্ছে।
মাদানী এভিনিউর সাতারকুলে অবস্থিত হাসপাতালটি খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিজেদের চিকিৎসা কার্যক্রম পুনরায় সংগঠিত করে হাম রোগীদের জন্য পৃথক আইসোলেশন ইউনিট, জরুরি ট্রায়াজ ব্যবস্থা, পৃথক এনআইসিইউ (NICU) ও পিআইসিইউ (PICU) জোন এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালু করেছে। রোগীদের জন্য নির্ধারিত চলাচল ব্যবস্থা, পিপিই (PPE) ব্যবহার এবং নিয়মিত জীবাণুমুক্তকরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে নিরাপদ চিকিৎসা পরিবেশ বজায় রাখা হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অনেক রোগীকেই ওয়ার্ডের খরচে কেবিনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জরুরি সেবা, ভেন্টিলেশন সাপোর্ট এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয়ের ক্ষেত্রেও বিশেষ ছাড় প্রদান করা হচ্ছে। গুরুতর রোগীদের জন্য নিশ্চিত করা হচ্ছে ওয়ান-টু-ওয়ান নার্সিং সাপোর্ট ও সার্বক্ষণিক পর্যবেক্
দেশজুড়ে চলমান হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল হাম আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করেছে। একইসঙ্গে অন্যান্য রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাসপাতালজুড়ে আন্তর্জাতিক মানের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ প্রটোকল অনুসরণ করা হচ্ছে।
মাদানী এভিনিউর সাতারকুলে অবস্থিত হাসপাতালটি খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিজেদের চিকিৎসা কার্যক্রম পুনরায় সংগঠিত করে হাম রোগীদের জন্য পৃথক আইসোলেশন ইউনিট, জরুরি ট্রায়াজ ব্যবস্থা, পৃথক এনআইসিইউ (NICU) ও পিআইসিইউ (PICU) জোন এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালু করেছে। রোগীদের জন্য নির্ধারিত চলাচল ব্যবস্থা, পিপিই (PPE) ব্যবহার এবং নিয়মিত জীবাণুমুক্তকরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে নিরাপদ চিকিৎসা পরিবেশ বজায় রাখা হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অনেক রোগীকেই ওয়ার্ডের খরচে কেবিনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জরুরি সেবা, ভেন্টিলেশন সাপোর্ট এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয়ের ক্ষেত্রেও বিশেষ ছাড় প্রদান করা হচ্ছে। গুরুতর রোগীদের জন্য নিশ্চিত করা হচ্ছে ওয়ান-টু-ওয়ান নার্সিং সাপোর্ট ও সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ।
এ পর্যন্ত এই বিশেষ ব্যবস্থাপনার আওতায় ১৬ জন হাম রোগীর চিকিৎসা সম্পন্ন হয়েছে, যার মধ্যে ১৪ জনই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে।
এ বিষয়ে ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের মেডিকেল সার্ভিসেস ডিরেক্টর ডা. আজহারুল ইসলাম খান বলেন, ‘বাংলাদেশে হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যখাতের সমন্বিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি। কার্যকর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, সাশ্রয়ী চিকিৎসা, দ্রুত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে এই সংকটকে আরও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে। কারণ প্রতিটি শিশুরই সময়মতো চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার আছে এবং এমন জাতীয় সংকটের সময়ে স্বাস্থ্যসেবা হয়ে ওঠে সবার যৌথ দায়িত্ব।’
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই সংকটকালীন ব্যবস্থাপনার মাঝেও ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল তাদের জরুরি ও ক্রিটিকাল চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রেখেছে। অভিজ্ঞ চিকিৎসক, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে হসপিটালটি দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সহজলভ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।