হামলার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এলেন মালির সামরিক প্রধান

সাম্প্রতিক বিদ্রোহী হামলার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এলেন মালির সামরিক নেতা আসসিমি গোইতা। তিনি দেশটিতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ইগর গ্রোমাইকোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে তার কার্যালয় জানিয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত ছবিতে এ বৈঠকের দৃশ্য দেখা গেলেও এর সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। সপ্তাহান্তে সংঘটিত হামলায় সরকারের এক মন্ত্রী নিহত হওয়ার পর এটিই গোইতার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি। খবর আলজাজিরার।  এর আগে রাশিয়া জানিয়েছিল, পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তারা আগ্রহী। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মালিতে রাশিয়ার প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত শনিবার পশ্চিম আফ্রিকায় আল-কায়েদা ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠী ও তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা মালির প্রধান সামরিক ঘাঁটি এবং রাজধানী বামাকোর বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় হামলা চালায়। একই সময়ে উত্তরের কিদাল অঞ্চল থেকে সরকারপন্থি বাহিনীর সহায়তায় থাকা রুশ সেনাদেরও পিছু হটতে হয়। একই সময়ের কাছাকাছি মধ্যাঞ্চলের সেভারে, উত্তরের কিদাল এবং গাও শহরেও অস্থিরতার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক লড়াই চলছে।  মালি দীর্ঘদিন

হামলার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এলেন মালির সামরিক প্রধান
সাম্প্রতিক বিদ্রোহী হামলার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এলেন মালির সামরিক নেতা আসসিমি গোইতা। তিনি দেশটিতে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ইগর গ্রোমাইকোর সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে তার কার্যালয় জানিয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত ছবিতে এ বৈঠকের দৃশ্য দেখা গেলেও এর সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। সপ্তাহান্তে সংঘটিত হামলায় সরকারের এক মন্ত্রী নিহত হওয়ার পর এটিই গোইতার প্রথম জনসমক্ষে উপস্থিতি। খবর আলজাজিরার।  এর আগে রাশিয়া জানিয়েছিল, পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তারা আগ্রহী। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মালিতে রাশিয়ার প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত শনিবার পশ্চিম আফ্রিকায় আল-কায়েদা ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠী ও তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা মালির প্রধান সামরিক ঘাঁটি এবং রাজধানী বামাকোর বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় হামলা চালায়। একই সময়ে উত্তরের কিদাল অঞ্চল থেকে সরকারপন্থি বাহিনীর সহায়তায় থাকা রুশ সেনাদেরও পিছু হটতে হয়। একই সময়ের কাছাকাছি মধ্যাঞ্চলের সেভারে, উত্তরের কিদাল এবং গাও শহরেও অস্থিরতার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ব্যাপক লড়াই চলছে।  মালি দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম আফ্রিকায় আল-কায়েদা এবং আইএস সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর হামলার মুখে রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলে তুয়ারেগ বিদ্রোহও বহু বছর ধরে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে জটিল করে রেখেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow