হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশু মারা গেছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। আলোচ্য সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে নতুন করে প্রায় এক হাজার শিশু আক্রান্ত হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। আরও পড়ুন ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ / জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এমন আচরণ আমাকে চরম অপমানিত করেছে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে চারজন শিশু মারা গেছে। তবে এসময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬০৯ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৩ শিশুর প্রাণ গেছে। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৭০২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আরও পড়ুন চিকিৎসা ব্যয় কমিয়ে আনার চিন্তা চলছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০৭ শিশু। এসময়ে হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৬৯। সবমিলিয়ে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯৭৬ জন। তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশু মারা গেছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। আলোচ্য সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ মিলিয়ে নতুন করে প্রায় এক হাজার শিশু আক্রান্ত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে চারজন শিশু মারা গেছে। তবে এসময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬০৯ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৩ শিশুর প্রাণ গেছে। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৭০২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০৭ শিশু। এসময়ে হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৬৯। সবমিলিয়ে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯৭৬ জন।
তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৭ হাজার ৫২২, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৫৪৯ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮১ হাজার ২৮৩ রোগী, যাদের মধ্যে ৭৭ হাজার ৬১৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
কেএসআর/
What's Your Reaction?

