হালুয়াঘাটে কিশোরদের হাতে মোটরসাইকেল, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় উঠতি বয়সের কিশোরদের হাতে অবাধে মোটরসাইকেল ব্যবহারের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। লাইসেন্স ছাড়াই অনেক কিশোর প্রতিদিন সড়কে মোটরসাইকেল চালাচ্ছে, যা একদিকে যেমন আইন লঙ্ঘন, অন্যদিকে তেমনি মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, বিশেষ করে স্কুল-কলেজ সংলগ্ন এলাকা ও বাজার রাস্তায় কিশোর বয়সী চালকদের বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যাচ্ছে। হেলমেট ব্যবহার না করা, একাধিক যাত্রী বহন এবং প্রতিযোগিতামূলক গতিতে চালানোর কারণে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অনেক অভিভাবক সন্তানের আবদারে কিংবা সামাজিক মর্যাদার কারণে কম বয়সেই মোটরসাইকেল কিনে দিচ্ছেন। কিন্তু আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ—এ বিষয়ে সচেতনতার অভাব স্পষ্ট। একজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ছেলেটা স্কুলে যায়, বন্ধুরা সবাই বাইক চালায়—ওকেও কিনে দিতে হয়েছে। তবে ঝুঁকির বিষয়টা আমরা ঠিকমতো ভাবিনি।” সচেতন মহল মনে করছেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়—অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া এই সমস্যা

হালুয়াঘাটে কিশোরদের হাতে মোটরসাইকেল, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় উঠতি বয়সের কিশোরদের হাতে অবাধে মোটরসাইকেল ব্যবহারের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। লাইসেন্স ছাড়াই অনেক কিশোর প্রতিদিন সড়কে মোটরসাইকেল চালাচ্ছে, যা একদিকে যেমন আইন লঙ্ঘন, অন্যদিকে তেমনি মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, বিশেষ করে স্কুল-কলেজ সংলগ্ন এলাকা ও বাজার রাস্তায় কিশোর বয়সী চালকদের বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যাচ্ছে। হেলমেট ব্যবহার না করা, একাধিক যাত্রী বহন এবং প্রতিযোগিতামূলক গতিতে চালানোর কারণে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অনেক অভিভাবক সন্তানের আবদারে কিংবা সামাজিক মর্যাদার কারণে কম বয়সেই মোটরসাইকেল কিনে দিচ্ছেন। কিন্তু আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ—এ বিষয়ে সচেতনতার অভাব স্পষ্ট।

একজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ছেলেটা স্কুলে যায়, বন্ধুরা সবাই বাইক চালায়—ওকেও কিনে দিতে হয়েছে। তবে ঝুঁকির বিষয়টা আমরা ঠিকমতো ভাবিনি।”

সচেতন মহল মনে করছেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়—অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। সময় থাকতেই ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

হালুয়াঘাট থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম বলেন , এ বিষয়ে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow