হাসপাতাল চালুর দাবিতে শিক্ষার্থীদের সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু, একাডেমিক কার্যক্রম যথাযথভাবে নিশ্চিত ও পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের দাবিতে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে সড়ক অবরোধ করেছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে বাঁশ ও চেয়ার ফেলে অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা দুই ঘণ্টা এ কর্মসূচি পালন করেন। এসময় সড়কের দুই পাশে যানবাহন আটকা পরে ও যানজটের সৃষ্টি হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, মেডিকেল কলেজ আছে, অথচ এই কলেজের ভিতরে হাসপাতাল এখনও চালু হয়নি। এর আগেও বহু কর্মসূচি করেছি তখন আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল দ্রুত মেডিকেল কলেজের হাসপাতালটির কাজ শেষ করে চালু করা হবে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই পুনরায় কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছি। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। সুনামগঞ্জের স্থানীয় ওবায়দুল হক মিলন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে পুরো জেলাবাসী একমত। এখানে হাসপাতাল চালুর দাবি শুধু তাদের নয় এটা আমারও দাবি, সুনামগঞ্জের মানুষের দাবি।’ যানজটে আটকা পড়া রবিউল হাসান বলেন, এমনিতেই কত জায়গায় যানজটে আটকা পড়ি। এখানে না হয় তিন থেকে চার ঘণ্টা আটকা থাকলাম। তারপরেও যদি হাসপাতালটা চাল

হাসপাতাল চালুর দাবিতে শিক্ষার্থীদের সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু, একাডেমিক কার্যক্রম যথাযথভাবে নিশ্চিত ও পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল ক্লাসের দাবিতে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে সড়ক অবরোধ করেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে বাঁশ ও চেয়ার ফেলে অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা দুই ঘণ্টা এ কর্মসূচি পালন করেন। এসময় সড়কের দুই পাশে যানবাহন আটকা পরে ও যানজটের সৃষ্টি হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, মেডিকেল কলেজ আছে, অথচ এই কলেজের ভিতরে হাসপাতাল এখনও চালু হয়নি। এর আগেও বহু কর্মসূচি করেছি তখন আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল দ্রুত মেডিকেল কলেজের হাসপাতালটির কাজ শেষ করে চালু করা হবে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই পুনরায় কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছি। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ।

সুনামগঞ্জের স্থানীয় ওবায়দুল হক মিলন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে পুরো জেলাবাসী একমত। এখানে হাসপাতাল চালুর দাবি শুধু তাদের নয় এটা আমারও দাবি, সুনামগঞ্জের মানুষের দাবি।’

যানজটে আটকা পড়া রবিউল হাসান বলেন, এমনিতেই কত জায়গায় যানজটে আটকা পড়ি। এখানে না হয় তিন থেকে চার ঘণ্টা আটকা থাকলাম। তারপরেও যদি হাসপাতালটা চালু হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের থেকে এটার সুফল বেশী ভোগ করবে জেলার মানুষ।

এসময় বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফাত রেজা আকাশ, দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম সাকিব, পিয়াস চন্দ্র দাস, ফারহানা আহমেদ মিম, তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী সানজিনা খানম ঐশি, তামিমা হোসেন, চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইনহা ইব্রাহিম, পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফজলে ফারিয়া সিনথিয়া, ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী আকশা চৌধুরী, রেহেনা খাতুন প্রমুখ।

লিপসন আহমেদ/এএইচ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow