হৃদয়ভাঙা হারে বিদায় সাবালেঙ্কার, বললেন ‘টেনিসই ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করছে’
ফরাসি ওপেন (রোলাঁ গারোঁ) কোর্টে আবারও নাটকীয় ভরাডুবির শিকার হলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা আরিয়ানা সাবালেঙ্কা। কোয়ার্টার ফাইনালে ২৫তম বাছাই ডিয়ানা শ্নাইডারের কাছে ৩-৬, ৭-৫, ৬-০ সেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেন তিনি। ম্যাচের শুরুতে সাবালেঙ্কা ছিলেন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। তিনি এক সেট জয়ের পাশাপাশি দ্বিতীয় সেটে দুইবার ব্রেকের সুবিধাও আদায় করেছিলেন। এমনকি ৫-৪ গেমে ম্যাচ জয়ের জন্য সার্ভও করেছিলেন। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় অবিশ্বাস্য পতন। শেষ পর্যন্ত টানা ১০টি গেম হারিয়ে ম্যাচ ছেড়ে দিতে হয় তাকে। ম্যাচ শেষে হতাশ সাবালেঙ্কা বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার টেনিসই ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করছে। আমি বারবার একইভাবে কিছু ম্যাচ হারছি শুধুমাত্র অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ার কারণে। এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।’ কোর্টে প্রবল বাতাসও ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে ওঠে। সাবালেঙ্কার অভিযোগ, ঘণ্টায় প্রায় ৩০ মাইল বেগের ঝোড়ো হাওয়া সত্ত্বেও আয়োজকরা কোর্টের ছাদ বন্ধ করেননি। তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না এত বাতাসের মধ্যেও কেন ছাদ খোলা রাখা হলো। তবে শেষ পর্যন্ত দোষ শুধু আবহাওয়ার নয়। মানসিকভাবে আ
ফরাসি ওপেন (রোলাঁ গারোঁ) কোর্টে আবারও নাটকীয় ভরাডুবির শিকার হলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা আরিয়ানা সাবালেঙ্কা। কোয়ার্টার ফাইনালে ২৫তম বাছাই ডিয়ানা শ্নাইডারের কাছে ৩-৬, ৭-৫, ৬-০ সেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেন তিনি।
ম্যাচের শুরুতে সাবালেঙ্কা ছিলেন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। তিনি এক সেট জয়ের পাশাপাশি দ্বিতীয় সেটে দুইবার ব্রেকের সুবিধাও আদায় করেছিলেন। এমনকি ৫-৪ গেমে ম্যাচ জয়ের জন্য সার্ভও করেছিলেন। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় অবিশ্বাস্য পতন। শেষ পর্যন্ত টানা ১০টি গেম হারিয়ে ম্যাচ ছেড়ে দিতে হয় তাকে।
ম্যাচ শেষে হতাশ সাবালেঙ্কা বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার টেনিসই ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করছে। আমি বারবার একইভাবে কিছু ম্যাচ হারছি শুধুমাত্র অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ার কারণে। এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।’
কোর্টে প্রবল বাতাসও ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে ওঠে। সাবালেঙ্কার অভিযোগ, ঘণ্টায় প্রায় ৩০ মাইল বেগের ঝোড়ো হাওয়া সত্ত্বেও আয়োজকরা কোর্টের ছাদ বন্ধ করেননি।
তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না এত বাতাসের মধ্যেও কেন ছাদ খোলা রাখা হলো। তবে শেষ পর্যন্ত দোষ শুধু আবহাওয়ার নয়। মানসিকভাবে আমি ঠিক ছিলাম না বলেই ম্যাচটা হাতছাড়া হয়েছে।’
এই হার সাবালেঙ্কার জন্য আরও হতাশাজনক কারণ তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কোকো গফ, ইগা শিয়াটেক এবং এলেনা রাইবাকিনা আগেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। ফলে ফাইনালে ওঠার পথ অনেকটাই সহজ হয়ে গিয়েছিল তার জন্য।
তবে অভিজ্ঞ এই তারকা আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছেন না। তিনি বলেন, ‘আমি অনেক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছি এবং সেগুলো কাটিয়েও উঠেছি। এখন শুধু খুঁজে বের করতে হবে কোন ছোট বিষয়টি মাঝে মাঝে আমার জন্য সমস্যা তৈরি করছে।’
আগামী কয়েক সপ্তাহ কীভাবে কাটাবেন, সে প্রসঙ্গে হাস্যরসও করেন সাবালেঙ্কা। তিনি বলেন, ‘হয়তো আগামীকাল এমন কোনো ‘রেজ রুমে’ যাব, যেখানে গিয়ে সবকিছু ভেঙে ফেলা যায়। সারাদিন শুধু জিনিসপত্র ভাঙব। হয়তো এতে উপকার হবে, হয়তো হবে না!’
রোলাঁ গারোঁয় টানা দ্বিতীয় বছর এমন নাটকীয় ধস সাবালেঙ্কার মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় বিশ্বাস করেন, এই ব্যর্থতা থেকেই তিনি আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবেন।
এমএমআর
What's Your Reaction?