হেলিকপ্টারে করে স্ত্রীকে নিয়ে আসলেন নাহিদ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ব্রাহ্মণশাসন সরকারি কলেজের মাঠে উৎসুক স্থানীয় মানুষের সমাগম। সিঙ্গাপুর প্রবাসী নাহিদ খন্দকার তার স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে এখানে অবতরণ করবেন বলে তাদের এ উৎসাহ। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মাঠে হেলিকপ্টারে অবতরণ করেন এ দম্পতি। বুধবার (৩১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে কলেজ মাঠে হেলিকপ্টার অবতরণ করলে ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন পরিবারের সদস্যরা। জানা গেছে, ঘাটাইলের দিগর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণশাসন এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিনের ছোট ছেলে নাহিদ। ২২ বছর আগে সিঙ্গাপুরে যান তিনি। সেখানে বাংলাদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি প্রাণের মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে বর্তমানে কাজ করছেন। উভয়পক্ষের পরিবারের সদস্যদের সম্মতিতে সিঙ্গাপুরের নাগরিক সারাহর সঙ্গে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমবার বাংলাদেশে বেড়াতে আসার দিনটিকে স্মরণীয় রাখতে হেলিকপ্টারে চরে তারা গ্রামে এসেছেন বলে জানা গেছে। কলেজ মাঠে অন্যান্য মানুষজনের সাথে সে সময় উপস্থিত উৎসুক যুবক আরাফাত রহমান অপু। তিনি কালবেলাকে বলেন, প্রথমবারের মতো হেলিকপ্টার স্বচক্ষে দেখলাম। এলাকার এক ভাই বিদেশি স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চরে কল
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ব্রাহ্মণশাসন সরকারি কলেজের মাঠে উৎসুক স্থানীয় মানুষের সমাগম। সিঙ্গাপুর প্রবাসী নাহিদ খন্দকার তার স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে এখানে অবতরণ করবেন বলে তাদের এ উৎসাহ। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মাঠে হেলিকপ্টারে অবতরণ করেন এ দম্পতি।
বুধবার (৩১ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে কলেজ মাঠে হেলিকপ্টার অবতরণ করলে ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন পরিবারের সদস্যরা।
জানা গেছে, ঘাটাইলের দিগর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণশাসন এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিনের ছোট ছেলে নাহিদ। ২২ বছর আগে সিঙ্গাপুরে যান তিনি। সেখানে বাংলাদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি প্রাণের মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে বর্তমানে কাজ করছেন। উভয়পক্ষের পরিবারের সদস্যদের সম্মতিতে সিঙ্গাপুরের নাগরিক সারাহর সঙ্গে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমবার বাংলাদেশে বেড়াতে আসার দিনটিকে স্মরণীয় রাখতে হেলিকপ্টারে চরে তারা গ্রামে এসেছেন বলে জানা গেছে।
কলেজ মাঠে অন্যান্য মানুষজনের সাথে সে সময় উপস্থিত উৎসুক যুবক আরাফাত রহমান অপু। তিনি কালবেলাকে বলেন, প্রথমবারের মতো হেলিকপ্টার স্বচক্ষে দেখলাম। এলাকার এক ভাই বিদেশি স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চরে কলেজের মাঠে অবতরণ করায় এ সুযোগটা পেলাম। বিষয়টি ভালো লেগেছে।
ঘাটাইল ব্রাহ্মণশাসন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সুলতানা তাবাচ্ছুম বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চরে গ্রামের বাড়িতে আসার ঘটনা অনুপ্রাণিত করে। তাদের দেখে আমরা আনন্দিত।
নাহিদের ফুফাতো ভাই হারুন অর রশিদ বলেন, সিঙ্গাপুরে দীর্ঘদিন ধরে থাকছেন নাহিদ। সেখানেই বিয়ে করে নতুন বউকে নিয়ে সে এবারই প্রথম দেশে এসেছে। তার ইচ্ছা ও স্বপ্ন ছিল নববধূকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে নিয়ে আসবে। তার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আমরা তাদের বরণ করে নিয়েছি।
জন্মভূমিতে ফিরে পরিবার সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়দের ভালোবাসায় মুগ্ধ নাহিদ এবং তার স্ত্রী সারাহ। নাহিদের স্ত্রী বাংলায় কথা বলতে না পারলেও ইংরেজিতে তার অনুভূতি প্রকাশ করেন এবং সবাইকে ধন্যবাদ জানান। সে সময় তাকে উচ্ছ্বসিত এবং আনন্দিত অবস্থায় দেখা গেছে।
নাহিদ খন্দকার কালবেলাকে বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে হেলিকপ্টারে চরে জন্মভূমিতে আসার স্বপ্ন ছিল। সেটি বাস্তবায়িত হওয়ায় ভালো লাগছে। কয়েক বছর আগে পারিবারিক সম্মতিতে আমরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি। ১০ দিনের ছুটি নিয়ে এসেছি। এ কয়দিন আমরা বাংলাদেশে থাকব।
নাহিদের বাবা জসিম উদ্দিন বলেন, আমার দুই সন্তান নাসির খন্দকার ও নাহিদ খন্দকার দুজনেই সিঙ্গাপুরে কর্মরত। তাদের মধ্যে ছোট ছেলে নাহিদ দীর্ঘ ২২ বছর সিঙ্গাপুরে কর্মরত রয়েছে। উভয় পরিবারের সদস্যদের সম্মতিতে সিঙ্গাপুরের নাগরিক সারাহকে সে বিয়ে করে সেখানেই বসবাস করছে। স্ত্রীকে নিয়ে এ প্রথমবার গ্রামের বাড়িতে এসেছে। বিমানে প্রথম ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে চরে ঘাটাইলে এসেছে তারা। স্ত্রীকে নিয়ে ছেলের গ্রামের বাড়িতে আসায় খুবই ভালো লাগছে।
What's Your Reaction?