হেসেখেলে সিলেটকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম

আগের ম্যাচেই ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয় পেয়েছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। পরের ম্যাচেও বড় জয়ের দেখা পেল দলটি। রোববার (০৪ জানুয়ারি) সিলেট টাইটান্সকে ৯ উইকেটে হারিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে পেছনে ফেলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠল চট্টগ্রাম। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে মাত্র ১২৬ রান করে সিলেট। জবাবে ২৪ বল ও ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয় পেয়ে যায় চট্টগ্রাম। ১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু পায় চট্টগ্রাম।  ওপেনিং জুটিতেই ১১৫ রান তোলে তারা। দলটির দুই ওপেনার নাঈম শেখ এবং রসিংটনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে দলটি তুলে বিনা উইকেটে ৫২ রান।  দারুণ খেলতে থাকা রসিংটন হাফ সেঞ্চুরি করেন ৩৭ বলে। ১১.২ ওভারে দলীয় শতক পূরণ করে চট্টগ্রাম। এর একটু পর ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন নাঈম শেখও। তবে দলকে জয়ের কাছাকাছি রেখে ফিরে যান তিনি। এরপর দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন রসিংটন এবং সাদমান। ৫৩ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন রসিংটন। সাদমান করেন ছয় বলে তিন রান। এর আগে, ব্যাটিংয়ে নেমে চট্টগ্রামের বোলারদের দাপুটে বোলিংয়ে শুরুতেই দিশেহারা হয়ে পড়ে সিলেটের ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে হারাতে থ

হেসেখেলে সিলেটকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম

আগের ম্যাচেই ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয় পেয়েছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। পরের ম্যাচেও বড় জয়ের দেখা পেল দলটি। রোববার (০৪ জানুয়ারি) সিলেট টাইটান্সকে ৯ উইকেটে হারিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে পেছনে ফেলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠল চট্টগ্রাম।

ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে মাত্র ১২৬ রান করে সিলেট। জবাবে ২৪ বল ও ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয় পেয়ে যায় চট্টগ্রাম।

১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু পায় চট্টগ্রাম।  ওপেনিং জুটিতেই ১১৫ রান তোলে তারা। দলটির দুই ওপেনার নাঈম শেখ এবং রসিংটনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে দলটি তুলে বিনা উইকেটে ৫২ রান। 

দারুণ খেলতে থাকা রসিংটন হাফ সেঞ্চুরি করেন ৩৭ বলে। ১১.২ ওভারে দলীয় শতক পূরণ করে চট্টগ্রাম। এর একটু পর ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন নাঈম শেখও। তবে দলকে জয়ের কাছাকাছি রেখে ফিরে যান তিনি। এরপর দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন রসিংটন এবং সাদমান। ৫৩ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন রসিংটন। সাদমান করেন ছয় বলে তিন রান।

এর আগে, ব্যাটিংয়ে নেমে চট্টগ্রামের বোলারদের দাপুটে বোলিংয়ে শুরুতেই দিশেহারা হয়ে পড়ে সিলেটের ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে হারাতে থাকে একের পর এক উইকেট। একমাত্র আজমতউল্লাহ ওমরজাই ছাড়া ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি কেউই। ৪১ বলে ৪৪ রান করেন এই আফগান অলরাউন্ডার। বাকি ব্যাটারদের কেউই বিশের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow