হেয়ার রোডের বাসা নিয়ে যে স্মৃতিচারণ করলেন আসিফ নজরুল

অন্তর্বর্তী সরকারে দায়িত্ব পালনকালে হেয়ার রোডের বাসায় ছিলেন সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। সেই বাসা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি। এ ছাড়া উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনকালের সময়গুলো মিস করেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বেলা ১টা ৫২ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি। তার পোস্টটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো। উপদেষ্টা জীবনে আমি থাকতাম হেয়ার রোডে। সেখানকার বাসার পেছনের বুনো জায়গাটা ভালো লাগত। কিন্তু ঢাবির ফুলার রোড আরও বেশি সবুজ আর সুন্দর। হেয়ার রোডের কিছু আর মিস করি না তাই।   উপদেষ্টা জীবনের একটা বিষয় অবশ্য মিস করি। আমরা একসঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বসতাম, আর একটার পর একটা নতুন কিছু করার পরিকল্পনা করতাম।  এরমধ্যে কিছু কিছু জিনিসের ফলাফল পাওয়া যেত তাৎক্ষণিকভাবে। যেমন, লিগাল এইড আইন সংশোধনের পর আদালতে না গিয়েই বহু বিষয়ের নিষ্পত্তি পেতে লাগল ভুক্তভোগীরা। একসময় তা দ্বিগুণ হলো। তারপর তিন গুণ।  গায়েবি মামলা প্রত্যাহারের টেকনিক বের করা হলো। এক হাজার, দু-হাজার করে করে বিশ হাজারের মতো প্রত্যাহার করা হলো। বিশ হাজার মামলা মানে প্রায় ৫ লাখ লোকের প্রতিকার।  প্রবাসী কল্য

হেয়ার রোডের বাসা নিয়ে যে স্মৃতিচারণ করলেন আসিফ নজরুল

অন্তর্বর্তী সরকারে দায়িত্ব পালনকালে হেয়ার রোডের বাসায় ছিলেন সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। সেই বাসা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি। এ ছাড়া উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনকালের সময়গুলো মিস করেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বেলা ১টা ৫২ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি। তার পোস্টটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।

উপদেষ্টা জীবনে আমি থাকতাম হেয়ার রোডে। সেখানকার বাসার পেছনের বুনো জায়গাটা ভালো লাগত। কিন্তু ঢাবির ফুলার রোড আরও বেশি সবুজ আর সুন্দর। হেয়ার রোডের কিছু আর মিস করি না তাই।  

উপদেষ্টা জীবনের একটা বিষয় অবশ্য মিস করি। আমরা একসঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বসতাম, আর একটার পর একটা নতুন কিছু করার পরিকল্পনা করতাম। 

এরমধ্যে কিছু কিছু জিনিসের ফলাফল পাওয়া যেত তাৎক্ষণিকভাবে। যেমন, লিগাল এইড আইন সংশোধনের পর আদালতে না গিয়েই বহু বিষয়ের নিষ্পত্তি পেতে লাগল ভুক্তভোগীরা। একসময় তা দ্বিগুণ হলো। তারপর তিন গুণ। 

গায়েবি মামলা প্রত্যাহারের টেকনিক বের করা হলো। এক হাজার, দু-হাজার করে করে বিশ হাজারের মতো প্রত্যাহার করা হলো। বিশ হাজার মামলা মানে প্রায় ৫ লাখ লোকের প্রতিকার। 

প্রবাসী কল্যাণে ছাড়পত্র প্রদানের ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করা হলো। কত মানুষ ‘আমি প্র্রবাসী’ অ্যাপে টাকা দেওয়া থেকে আর হয়রানি থেকে বাঁচল? প্রতি বছর কয়েক লাখ! 

বিদেশ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেওয়া আইন সহজ করা হলো। একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ফোন করে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে জানালেন, হাজারো মানুষের ভোগান্তি কমবে তাতে।

 

এসবের বাইরে ছিল ব্যক্তি মানুষের হয়রানি, ভোগান্তি আর কষ্ট দূর করার আনন্দ। এসব আনন্দ আর সেভাবে পাবো না। এটা মিস করি! অন্য কিছু নয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow