হোয়াইট হাউসে হামলার ষড়যন্ত্র, এফবিআইয়ের জালে আরও দুজন

হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত ইউএফসি ইভেন্টে হামলার কথিত ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা এফবিআই এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।  গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা একটি বহু-রাজ্যভিত্তিক ষড়যন্ত্রের অংশ ছিলেন, যার লক্ষ্য ছিল বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন ব্যবহার করে অনুষ্ঠানে হামলা চালানো এবং পরবর্তীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। মার্কিন বিচার বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে, যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তদন্তে জানা গেছে, পরিকল্পনাটি ছিল ১৪ জুন অনুষ্ঠিত ‘ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০’ ইভেন্টকে লক্ষ্য করে। ওই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ লনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীদের পরিকল্পনা ছিল ড্রোনে বিস্ফোরক ব্যবহার করে ভিড়কে আতঙ্কিত করা এবং পরে গুলি চালানোর মাধ্যমে আরও বড় ক্ষতি করা। এফবিআই-এর তথ্য অনুযায়ী, একজন সন্দেহভাজন ড্রোন অপারেটর ছিলেন এবং তিনি ড্রোনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ক্ষতি করার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। অন্য একজন অভিযুক্ত অর

হোয়াইট হাউসে হামলার ষড়যন্ত্র, এফবিআইয়ের জালে আরও দুজন

হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত ইউএফসি ইভেন্টে হামলার কথিত ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা এফবিআই এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির। 

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা একটি বহু-রাজ্যভিত্তিক ষড়যন্ত্রের অংশ ছিলেন, যার লক্ষ্য ছিল বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন ব্যবহার করে অনুষ্ঠানে হামলা চালানো এবং পরবর্তীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।

মার্কিন বিচার বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে, যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

তদন্তে জানা গেছে, পরিকল্পনাটি ছিল ১৪ জুন অনুষ্ঠিত ‘ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০’ ইভেন্টকে লক্ষ্য করে। ওই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ লনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীদের পরিকল্পনা ছিল ড্রোনে বিস্ফোরক ব্যবহার করে ভিড়কে আতঙ্কিত করা এবং পরে গুলি চালানোর মাধ্যমে আরও বড় ক্ষতি করা।

এফবিআই-এর তথ্য অনুযায়ী, একজন সন্দেহভাজন ড্রোন অপারেটর ছিলেন এবং তিনি ড্রোনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ক্ষতি করার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। অন্য একজন অভিযুক্ত অর্থ জোগান, ভ্রমণ ব্যবস্থা এবং সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বাড়িতে থ্রিডি প্রিন্টারসহ কিছু উপকরণ পাওয়া গেছে, যা ড্রোনের যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্তকারীরা জানান, এই ষড়যন্ত্র প্রথম ধরা পড়ে ওহাইওর এক সহ-অভিযুক্তের বাবা-মা পুলিশকে তাদের সন্তানের সন্দেহজনক অনলাইন কার্যকলাপ ও অস্ত্র কেনার বিষয়ে জানালে।

এফবিআই বলেছে, দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলা ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

এ ঘটনায় মোট ২৩ জনের একটি নেটওয়ার্ক জড়িত থাকতে পারে বলে তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow