১ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে ১৮ লাখ ইরানি রিয়াল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ডলারের বিপরীতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের। মুদ্রা বিনিময় হার পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট বনবাস্ট ও অ্যালানচান্দের তথ্য অনুযায়ী, কালোবাজারে এক ডলারের বিপরীতে প্রায় ১৮ লাখ রিয়াল লেনদেন হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর সময় যা ছিল প্রায় ১৭ লাখ রিয়াল। বুধবার (২৯ এপ্রিল) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে সরকারিভাবে একাধিক নির্ধারিত বিনিময় হার রয়েছে। তবে বাস্তবে বাজার পরিস্থিতি বোঝার ক্ষেত্রে বেসরকারি এসব ওয়েবসাইটের হারই সাধারণত মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশ্লেষকদের দাবি, ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতনের প্রধান কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান দীর্ঘদিনের সংঘাত। এছাড়া, সাম্প্রতিক মার্কিন নৌ-অবরোধ ইরানের বন্দরগুলোকে অচল করে দিয়ে তেল রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রার আয় মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। যুদ্ধকালীন অবস্থার কারণে বাজারে দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা ডলারের চাহিদা যুদ্ধবিরতির পর হঠাৎ করে খোলা বাজারে উপচে পড়েছে। এতে রিয়ালের মান দুই দিনে প্রায় ১৫ শতাংশ কমে গেছে। একই সঙ্গে অবকাঠামোতে হামলার ফলে রপ্তানি বন্ধ হওয়
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ডলারের বিপরীতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের।
মুদ্রা বিনিময় হার পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট বনবাস্ট ও অ্যালানচান্দের তথ্য অনুযায়ী, কালোবাজারে এক ডলারের বিপরীতে প্রায় ১৮ লাখ রিয়াল লেনদেন হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর সময় যা ছিল প্রায় ১৭ লাখ রিয়াল।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) আল জাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে সরকারিভাবে একাধিক নির্ধারিত বিনিময় হার রয়েছে। তবে বাস্তবে বাজার পরিস্থিতি বোঝার ক্ষেত্রে বেসরকারি এসব ওয়েবসাইটের হারই সাধারণত মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়।
বিশ্লেষকদের দাবি, ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতনের প্রধান কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান দীর্ঘদিনের সংঘাত। এছাড়া, সাম্প্রতিক মার্কিন নৌ-অবরোধ ইরানের বন্দরগুলোকে অচল করে দিয়ে তেল রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রার আয় মারাত্মকভাবে কমিয়ে দিয়েছে।
যুদ্ধকালীন অবস্থার কারণে বাজারে দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা ডলারের চাহিদা যুদ্ধবিরতির পর হঠাৎ করে খোলা বাজারে উপচে পড়েছে। এতে রিয়ালের মান দুই দিনে প্রায় ১৫ শতাংশ কমে গেছে। একই সঙ্গে অবকাঠামোতে হামলার ফলে রপ্তানি বন্ধ হওয়া, আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতি এবং সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।
এসব সংকটের কারণে বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষ স্থানীয় মুদ্রার ওপর আস্থা হারিয়ে ডলারের দিকে ঝুঁকছে। ফলে রিয়ালের মান ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে।
What's Your Reaction?