১০ বছর আগের স্মৃতি ফেরাতে মরিয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ

কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের বিশাল ছক্কাগুলো যখন চারদিকে আছড়ে পড়ছিল, তখন ইডেনের গোটা গ্যালারি জুড়ে শুধু বিস্ময় আর বিস্ময়! ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা বোলার বেন স্টোকসকে পরপর চার বলে চার ছক্কা হাঁকিয়ে মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল বদলে দিয়েছিলেন একা ব্র্যাথওয়েট। হাল ছেড়ে দেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ড্যারেন স্যামির হাতে উঠেছিল বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নের ট্রফি।  অবিশ্বাস্য সেই জয়ের পরে ইডেন মেতেছিল ‘ডিজে ব্র্যাভো’-র গানে, ‘গেইল ইজ দ্য চ্যাম্পিয়ন, লারা ইজ দ্য চ্যাম্পিয়ন!’ ইডেনে তিনতলার মিডিয়া সেন্টারের প্রেস কনফারেন্সের টেবিলে দুই পা তুলে দিয়েছিলেন ম্যাচের সেরা স্যামুয়েলস।  হারলেই বিশ্বকাপের আশা শেষ হবে ভারতের। এই পরিস্থিতিতে বড় বদল করতে চলেছে। আবারও সেই ইডেন গার্ডেন্স। আবারও সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। আবারও সেই ড্যারেন স্যামি। শুধু মাঝে চলে গেছে পুরো দশটা বছর। শনিবার বিকেলে ইডেনের মিডিয়া সেন্টারে যে সামিকে আবিষ্কার করা গেল, তিনি আগের মতো হাসিখুশি হলেও অনেক পরিণত। হবে না-ই বা কেন। সে দিন তিনি ছিলেন অধিনায়ক। আজ কোচ। যিনি বলে গেলেন, ‘আমার ১১ যোদ্ধা ইতিহাস তৈরি করতে প্রস্তুত।’ ইডেনে পা দিয়ে সেই দশ

১০ বছর আগের স্মৃতি ফেরাতে মরিয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ
কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের বিশাল ছক্কাগুলো যখন চারদিকে আছড়ে পড়ছিল, তখন ইডেনের গোটা গ্যালারি জুড়ে শুধু বিস্ময় আর বিস্ময়! ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা বোলার বেন স্টোকসকে পরপর চার বলে চার ছক্কা হাঁকিয়ে মুহূর্তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল বদলে দিয়েছিলেন একা ব্র্যাথওয়েট। হাল ছেড়ে দেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ড্যারেন স্যামির হাতে উঠেছিল বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নের ট্রফি।  অবিশ্বাস্য সেই জয়ের পরে ইডেন মেতেছিল ‘ডিজে ব্র্যাভো’-র গানে, ‘গেইল ইজ দ্য চ্যাম্পিয়ন, লারা ইজ দ্য চ্যাম্পিয়ন!’ ইডেনে তিনতলার মিডিয়া সেন্টারের প্রেস কনফারেন্সের টেবিলে দুই পা তুলে দিয়েছিলেন ম্যাচের সেরা স্যামুয়েলস।  হারলেই বিশ্বকাপের আশা শেষ হবে ভারতের। এই পরিস্থিতিতে বড় বদল করতে চলেছে। আবারও সেই ইডেন গার্ডেন্স। আবারও সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। আবারও সেই ড্যারেন স্যামি। শুধু মাঝে চলে গেছে পুরো দশটা বছর। শনিবার বিকেলে ইডেনের মিডিয়া সেন্টারে যে সামিকে আবিষ্কার করা গেল, তিনি আগের মতো হাসিখুশি হলেও অনেক পরিণত। হবে না-ই বা কেন। সে দিন তিনি ছিলেন অধিনায়ক। আজ কোচ। যিনি বলে গেলেন, ‘আমার ১১ যোদ্ধা ইতিহাস তৈরি করতে প্রস্তুত।’ ইডেনে পা দিয়ে সেই দশ বছর আগের কীর্তি বারবার উঠে এল স্যামির কথায়। বললেন, ‘কলকাতা আমার সব সময়ের প্রিয়। এই শহরে এই দেশে আমাদের প্রচুর সমর্থক। ক্লাইভ লয়েড, ভিভ রিচার্ডসরা যে লেগাসি তৈরি করে দিয়ে গেছেন, তার ফল ভোগ করছি আমরা। আর ইডেনে এলেই সেই ফাইনালের কথা মনে পড়ে। এবার ভিন্ন দল। কিন্তু পরিস্থিতি প্রায় এক। জিততেই হবে। আমরা সেমিফাইনালে যাব ভারতকে হারিয়ে।’ ইডেন আজ পুরোপুরি ভারতের। এটা জানেন স্যামি। তাই তো হেসে বলেন, ‘ইডেনের এই প্রবল চিৎকারের মধ্যেও আমরা লড়ব।’ ইডেনের উইকেটে বরুণ চক্রবর্তী ভয়ঙ্কর হতে পারেন। সেটা জানেন ক্যারিবিয়ান কোচ। বরুণের প্রশংসা করে তাই ড্যারেন সামি বলেন, ‘ও বিশ্বের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি বোলার। টিমও দারুণ। কিন্তু এটা ব্যাট-বলের যুদ্ধ। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই আলাদা করে পরিকল্পনা করা আছে। আর মনে রাখবেন, এটা দু-একজনের খেলা নয়। টিম গেম।’ দারুণ চনমনে মেজাজে ছিলেন ডারেন স্যামি। ঠিক যেমন ছিলেন দশ বছর আগে। সেদিন ইডেন তাকে ফেরায়নি। কিন্তু আজ রোববার? ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইডেনে খেলা আর টিম ইন্ডিয়ার বিপক্ষে খেলার পার্থক্যটা নিশ্চয়ই বুঝবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ!

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow