১০ মার্চ বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ১০ মার্চ পরীক্ষামূলকভাবে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টার দিকে বগুড়ার মহাস্থানগড় এলাকায় অবস্থিত শাহ সুলতান বলখী (রহ.)-এর মাজারে জুমার নামাজের আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন বলে জানা গেছে। সরকারের এ নতুন সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগের সূচনা বগুড়া থেকেই হবে। ফ্যামিলি কার্ডের পরীক্ষামূলক (পাইলট) কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে নির্বাচন করা হয়েছে। সম্ভাব্য সুফলভোগী পরিবার চিহ্নিত করতে ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি করে পৃথক জেলা ও উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাতে কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় কার্যকরভাবে করা যায়। প্রতি পরিবারের একজন নারী কার্ডধারী হিসেবে
আগামী ১০ মার্চ পরীক্ষামূলকভাবে বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টার দিকে বগুড়ার মহাস্থানগড় এলাকায় অবস্থিত শাহ সুলতান বলখী (রহ.)-এর মাজারে জুমার নামাজের আগে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন বলে জানা গেছে। সরকারের এ নতুন সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগের সূচনা বগুড়া থেকেই হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের পরীক্ষামূলক (পাইলট) কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে নির্বাচন করা হয়েছে। সম্ভাব্য সুফলভোগী পরিবার চিহ্নিত করতে ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে।
কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি করে পৃথক জেলা ও উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাতে কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় কার্যকরভাবে করা যায়।
প্রতি পরিবারের একজন নারী কার্ডধারী হিসেবে নিবন্ধিত হবেন। একটি ওয়ার্ডে যত পরিবার যোগ্য বিবেচিত হবে, তাদের সবাইকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার কথা রয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে চার মাস পাইলটিং কার্যক্রম চলবে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে এটি প্রতিটি উপজেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
What's Your Reaction?