১১ লাখের বেশি বৃক্ষরোপণ করবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সেনানিবাস ও জলসিঁড়িতে ১১ লাখ ৩৬ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে। সেনাবাহিনী শুধু বৃক্ষরোপণ করে না, বৃক্ষগুলো সংরক্ষণ করে, যত্ন করে এবং এর ফলে সেনানিবাসগুলো বৃক্ষে পরিপূর্ণ থাকে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসের নির্ঝর আবাসিক এলাকায় বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। আরও পড়ুন বিশ্বপরিসরেও অবদান রাখছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী: ওয়াকার-উজ-জামান আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ এ দেশের সব সেনানিবাস, ডিওএইচএস এবং জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প এলাকার উপযুক্ত স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির বৃক্ষসহ সৌন্দর্যবর্ধক গাছের চারা রোপণ করা হবে। এ কর্মসূচি সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত চলমান থাকবে। আরও পড়ুন সেনাপ্রধানের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ দেশের বনজ সম্পদ বৃদ্ধি ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে সবাইকে স্বপ্রণোদিত হয়ে বৃক্ষ

১১ লাখের বেশি বৃক্ষরোপণ করবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সেনানিবাস ও জলসিঁড়িতে ১১ লাখ ৩৬ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে। সেনাবাহিনী শুধু বৃক্ষরোপণ করে না, বৃক্ষগুলো সংরক্ষণ করে, যত্ন করে এবং এর ফলে সেনানিবাসগুলো বৃক্ষে পরিপূর্ণ থাকে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসের নির্ঝর আবাসিক এলাকায় বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ এ দেশের সব সেনানিবাস, ডিওএইচএস এবং জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প এলাকার উপযুক্ত স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির বৃক্ষসহ সৌন্দর্যবর্ধক গাছের চারা রোপণ করা হবে। এ কর্মসূচি সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত চলমান থাকবে।

দেশের বনজ সম্পদ বৃদ্ধি ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে সবাইকে স্বপ্রণোদিত হয়ে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করাই এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে সেনাসদর ও ঢাকা অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের সামরিক ও অসামরিক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

টিটি/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow