১২০ মিনিটের নায়ক, শেষ পেনাল্টিতে ‘হিরো থেকে জিরো’
ফুটবল এমন এক খেলা, যেখানে কয়েক সেকেন্ডেই বদলে যেতে পারে একজন খেলোয়াড়ের গল্প। আর্সেনালের ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েশের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ছিল ঠিক তেমনই এক রাত। পুরো ১২০ মিনিট দুর্দান্ত রক্ষণ সামলে ম্যাচসেরার দাবিদার হয়ে উঠলেও শেষ পর্যন্ত একটি পেনাল্টি মিসই তাকে দাঁড় করিয়ে দেয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তার ব্যর্থতায় আর্সেনালের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায়, আর শিরোপা উৎসবে মাতে পিএসজি। ফুটবল কখনো কখনো নিষ্ঠুর হয়ে ওঠে। এই বাস্তবতাটা হয়তো সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করতে পেরেছেন আর্সেনালের সেন্টার-ব্যাক গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েশ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পিএসজির বিপক্ষে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি ছিলেন রক্ষণভাগের অবিচল প্রাচীর। পুরো ১২০ মিনিট খেলেছেন প্রায় নিখুঁতভাবে। এমনকি ম্যাচসেরার অন্যতম দাবিদারও হয়ে উঠেছিলেন ব্রাজিলিয়ান এই ডিফেন্ডার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভাগ্য তার পাশে ছিল না। পিএসজির মতো ভয়ংকর আক্রমণভাগকে পুরো ম্যাচে ওপেন প্লে থেকে গোল করতে না দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল গ্যাব্রিয়েলের। যে দলটি গত মৌসুমের ফাইনালে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়
ফুটবল এমন এক খেলা, যেখানে কয়েক সেকেন্ডেই বদলে যেতে পারে একজন খেলোয়াড়ের গল্প। আর্সেনালের ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েশের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ছিল ঠিক তেমনই এক রাত।
পুরো ১২০ মিনিট দুর্দান্ত রক্ষণ সামলে ম্যাচসেরার দাবিদার হয়ে উঠলেও শেষ পর্যন্ত একটি পেনাল্টি মিসই তাকে দাঁড় করিয়ে দেয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তার ব্যর্থতায় আর্সেনালের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায়, আর শিরোপা উৎসবে মাতে পিএসজি।
ফুটবল কখনো কখনো নিষ্ঠুর হয়ে ওঠে। এই বাস্তবতাটা হয়তো সবচেয়ে বেশি উপলব্ধি করতে পেরেছেন আর্সেনালের সেন্টার-ব্যাক গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েশ।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পিএসজির বিপক্ষে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি ছিলেন রক্ষণভাগের অবিচল প্রাচীর। পুরো ১২০ মিনিট খেলেছেন প্রায় নিখুঁতভাবে। এমনকি ম্যাচসেরার অন্যতম দাবিদারও হয়ে উঠেছিলেন ব্রাজিলিয়ান এই ডিফেন্ডার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভাগ্য তার পাশে ছিল না।
পিএসজির মতো ভয়ংকর আক্রমণভাগকে পুরো ম্যাচে ওপেন প্লে থেকে গোল করতে না দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল গ্যাব্রিয়েলের। যে দলটি গত মৌসুমের ফাইনালে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল এবং সেমিফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের জালে ৬ গোল জড়িয়েছিল, সেই দলকে কার্যত অসহায় করে রেখেছিলেন তিনি।
পুরো ম্যাচে ১৩টি ক্লিয়ারেন্স করেন গ্যাব্রিয়েল। মাটিতে কিংবা আকাশে কোনো দ্বৈরথেই হারেননি। ১২০ মিনিটে একজন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ও তাকে কাটিয়ে যেতে পারেননি। এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর তাকে নিয়ে ম্যাচসেরার আলোচনা হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক।
যদিও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। আর্সেনাল তখন ৪-৩ গোলে পিছিয়ে। গ্যাব্রিয়েল গোল করতে পারলেই খেলা গড়াত সাডেন ডেথে। কিন্তু সেই মুহূর্তে তার নেওয়া শট উড়ে যায় ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে।
এক মুহূর্তেই বদলে যায় সবকিছু। আর্সেনালের শিরোপা স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়, আর পিএসজি শুরু করে উল্লাস।
পেনাল্টি মিসের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন গ্যাব্রিয়েল। হতাশায় ডুবে থাকা স্বদেশিকে সান্ত্বনা দিতে ছুটে আসেন পিএসজির অধিনায়ক ও তারই ব্রাজিলিয়ান সতীর্থ মারকিনিয়োস।
কিন্তু পেনাল্টির সেই আক্ষেপের মুহূর্ত বাদ দিলে গ্যাব্রিয়েলের পারফরম্যান্স ব্রাজিলের জন্য আশার খবরই বয়ে আনছে। রক্ষণে তার এই দৃঢ়তা ও আত্মবিশ্বাস আগামী বিশ্বকাপে ব্রাজিল দলের জন্য বড় সম্পদ হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
ফাইনালের ফলাফল হয়তো গ্যাব্রিয়েলের পক্ষে যায়নি, কিন্তু তার ১২০ মিনিটের লড়াই প্রমাণ করেছে—একটি মিস পুরো গল্প বদলে দিলেও একজন ফুটবলারের সামর্থ্যকে মুছে দিতে পারে না।
What's Your Reaction?