১২২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে
দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ড গড়েছে বন্দরনগরী বুসান। বুধবার শহরটিতে গত ১২২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
দেশটির আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৫৬ মিনিটে বুসানে তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। এর আগে ২০১৬ সালে রেকর্ড করা ৩৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল শহরটির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ১৯০৪ সালে আবহাওয়ার তথ্য সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর এটিই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
এদিকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ইয়াংসান শহরে বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে তাপমাত্রা ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, যা ২০০৮ সালে সেখানে পর্যবেক্ষণ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ।
দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া প্রশাসন জানিয়েছে, উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উচ্চচাপ বলয় এবং তিব্বতি উচ্চচাপ বলয়ের যৌথ প্রভাবে এই তীব্র তাপপ্রবাহ সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে রাজধানী সিউলের কিছু এলাকায় অনুভূত তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করায় সেখানে তাপপ্রবাহ সতর্কতা আরও
দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ড গড়েছে বন্দরনগরী বুসান। বুধবার শহরটিতে গত ১২২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
দেশটির আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৫৬ মিনিটে বুসানে তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। এর আগে ২০১৬ সালে রেকর্ড করা ৩৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল শহরটির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ১৯০৪ সালে আবহাওয়ার তথ্য সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর এটিই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
এদিকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ইয়াংসান শহরে বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে তাপমাত্রা ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, যা ২০০৮ সালে সেখানে পর্যবেক্ষণ শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ।
দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া প্রশাসন জানিয়েছে, উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরীয় উচ্চচাপ বলয় এবং তিব্বতি উচ্চচাপ বলয়ের যৌথ প্রভাবে এই তীব্র তাপপ্রবাহ সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে রাজধানী সিউলের কিছু এলাকায় অনুভূত তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করায় সেখানে তাপপ্রবাহ সতর্কতা আরও জোরদার করা হয়েছে। চলতি গ্রীষ্মে এটি সিউলে দ্বিতীয়বারের মতো তাপপ্রবাহ সতর্কতা জারির ঘটনা।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সিউল সিটি কর্তৃপক্ষ জনসাধারণের জন্য বিভিন্ন সরকারি স্থাপনাকে শীতল আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে খুলে দিয়েছে। পাশাপাশি পৌরসভার নির্মাণ প্রকল্পগুলোতে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাইরের কাজ সীমিত করা হয়েছে এবং বেসরকারি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোকেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি