১৩ ফেব্রুয়ারি একটি অভিশাপমুক্ত বাংলাদেশ চাই: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভোট যার যেখানে ইচ্ছা সেখানে দেবে। কিন্তু আমরা বাক্স পর্যন্ত ভোটারকে পৌঁছে দিতে চাই। ১৩ ফেব্রুয়ারি আমরা একটি অভিশাপমুক্ত বাংলাদেশ চাই। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) খুলনায় সার্কিট হাউজ মাঠে জামায়াতে ইসলামী খুলনা মহানগরী ও জেলা শাখা আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত সরকারের ভুলনীতি ও লুটপাটে একের পর এক খুলনার শিল্প কারখানা বন্ধ হয়েছে। জনগণের রায়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা পেলে বন্ধ মিল কারখানা চালুর পাশাপাশি নতুন নতুন কারখানা স্থাপন হবে। তিনি বলেন, আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা তুলে দিয়ে তাদেরকে অপমান করতে চাই না। আমার তাদের হাতে কাজ তুলে দিতে চাই। যুব সমাজকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদেরকে সম্মানিত করতে চাই। জুলাই বিপ্লবে তাদের যে অবদান, কিছুটা হলেও তার ঋণ শোধ করতে চাই। জামায়াত আমির বলেন, আপনারা প্রত্যেকটি নর নারীর ভোটের অধিকারের পাহারাদার হবেন। ভোট যার যেখানে ইচ্ছা সেখানে দেবে। কিন্তু আমরা বাক্স পর্যন্ত ভোটারকে পৌঁছে দিতে চাই। ১৩ ফেব্রুয়ারি আমরা একটি অভিশাপমুক্ত বাংলাদেশ চাই। এ সময় এসময় তিনি দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাস

১৩ ফেব্রুয়ারি একটি অভিশাপমুক্ত বাংলাদেশ চাই: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ভোট যার যেখানে ইচ্ছা সেখানে দেবে। কিন্তু আমরা বাক্স পর্যন্ত ভোটারকে পৌঁছে দিতে চাই। ১৩ ফেব্রুয়ারি আমরা একটি অভিশাপমুক্ত বাংলাদেশ চাই।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) খুলনায় সার্কিট হাউজ মাঠে জামায়াতে ইসলামী খুলনা মহানগরী ও জেলা শাখা আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত সরকারের ভুলনীতি ও লুটপাটে একের পর এক খুলনার শিল্প কারখানা বন্ধ হয়েছে। জনগণের রায়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা পেলে বন্ধ মিল কারখানা চালুর পাশাপাশি নতুন নতুন কারখানা স্থাপন হবে।

তিনি বলেন, আমরা যুবকদের হাতে বেকার ভাতা তুলে দিয়ে তাদেরকে অপমান করতে চাই না। আমার তাদের হাতে কাজ তুলে দিতে চাই। যুব সমাজকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদেরকে সম্মানিত করতে চাই। জুলাই বিপ্লবে তাদের যে অবদান, কিছুটা হলেও তার ঋণ শোধ করতে চাই।

জামায়াত আমির বলেন, আপনারা প্রত্যেকটি নর নারীর ভোটের অধিকারের পাহারাদার হবেন। ভোট যার যেখানে ইচ্ছা সেখানে দেবে। কিন্তু আমরা বাক্স পর্যন্ত ভোটারকে পৌঁছে দিতে চাই। ১৩ ফেব্রুয়ারি আমরা একটি অভিশাপমুক্ত বাংলাদেশ চাই। এ সময়

এসময় তিনি দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনেরকালে এবং তারও আগে ২০০৮ সালের ২৮ অক্টোবর লগি বৈঠার তাণ্ডবে নিহত সব শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। সেই সঙ্গে আহত, পঙ্গু, কারা নির্যাতিত, গুমের শিকার ও দেশান্তরী হতে বাধ্য হওয়া সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

৫ আগস্টের পরে প্রতিহিংসাপরায়ণ না হয়ে দলের প্রতিটি নেতাকর্মী পাহারাদারের ভূমিকা পালন করেছিলেন জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এর মাধ্যমে দেশের মানুষের কাছে প্রমাণিত হয়েছে কাদের কাছে তারা নিরাপদ। ফলে জামায়াত রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দলের মন্ত্রী এমপিদের নিজস্ব কোনো লাভ নেই বরং গোটা বাংলাদেশকে মর্যাদাশীল শক্ত অর্থনীতির ওপর দাঁড় করানো হবে।

অনেকেই পুরাতন ফ্যাসিবাদের অ্যাপ্রন গায়ে দিতে চাচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে এ দেশের যুব সমাজ জানিয়ে দিয়েছে তা আর সম্ভব নয়। ৫টা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যুব সমাজ তা জানিয়ে দিয়েছে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ও হানাহানির বিষয়ে তিনি বলেন, একটি দল একদিকে দিচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, অন্যদিকে দিচ্ছে মা-বোনদের গায়ে হাত।

যারা মাকে অসম্মানিত করছেন, তাদেরকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের রায়ে আস্থা রাখুন। অতীতে যারা আস্থা রাখেননি তাদের পরিণতি ভালো হয়নি।

হামলার সঙ্গে জড়িতদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এখন মাঘ মাস। এখনই যদি মাথা এতো গরম থাকে, তাহলে চৈত্র এলে কি করবেন?

এ জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির নেতা রাশেদ প্রধান, খুলনা-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত এবং ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, খুলনা-৪ আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত এবং ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত দেওয়াল ঘড়ির প্রার্থী খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, খুলনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত এবং ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা-১ আসনের জামায়াত মনোনীত এবং ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী খুলনা জেলা হিন্দু মহাজোটের সভাপতি বাবু কৃষ্ণ নন্দী এবং জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

আরিফুর রহমান/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow