১৩৫ কিলোমিটার হটডগ আর ৬৮ লাখ দর্শক, বিশ্বকাপের চমকপ্রদ তথ্য

গ্যালারিতে ছিল দর্শকদের রেকর্ড উপস্থিতিতে সদ্যসমাপ্ত ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে বেশকিছু অবিশ্বাস্য ম্যাচ হতে দেখা গেছে। মাঠে ঘটেছে একাধিক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। সেই টুর্নামেন্টের ব্যবহৃত বিভিন্ন পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। যে পরিসংখ্যানে স্থান পেয়েছে অসংখ্য চমকপ্রদ তথ্য। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো মিলিয়ে ৩৯ দিনে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে ছিল ১৬টি স্বাগতিক শহর, ৪৮টি দলের বেস ক্যাম্প এবং ৬৪৫টি অফিসিয়াল ভেন্যু। প্রায় ৩ লাখ স্বীকৃত (অ্যাক্রেডিটেড) কর্মী টুর্নামেন্ট পরিচালনায় জড়িত ছিলেন। মাঠে নেমেছিলেন ১ হাজার ২৪৮ জন ফুটবলার। ৬৮ লাখেরও বেশি দর্শক স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখেছেন ১০৪টি ম্যাচে। ৪৩ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক টুর্নামেন্টে সফলে কাজ করে গেছেন। ছিল ৭৩ হাজার ৭০০ অ্যাক্রিডেটেড নিরাপত্তাকর্মী এবং ১০৪টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ফিফার কর্মীরা। পুরো আসরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১০ লাখেরও বেশি নিরাপত্তা শিফট পরিচালিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ভেন্যুতে ৫০ লাখের বেশি অ্যাক্রেডিটেশন স্ক্যান করা হয়েছে। এবারের আসরে সম্প্রচার ব্যবস্থাতেও ছিল নতুনমাত্রা। ডালাসে স্থাপিত আন্তর্জাতিক সম্প্রচার ক

১৩৫ কিলোমিটার হটডগ আর ৬৮ লাখ দর্শক, বিশ্বকাপের চমকপ্রদ তথ্য

গ্যালারিতে ছিল দর্শকদের রেকর্ড উপস্থিতিতে সদ্যসমাপ্ত ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে বেশকিছু অবিশ্বাস্য ম্যাচ হতে দেখা গেছে। মাঠে ঘটেছে একাধিক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। সেই টুর্নামেন্টের ব্যবহৃত বিভিন্ন পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। যে পরিসংখ্যানে স্থান পেয়েছে অসংখ্য চমকপ্রদ তথ্য।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো মিলিয়ে ৩৯ দিনে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে ছিল ১৬টি স্বাগতিক শহর, ৪৮টি দলের বেস ক্যাম্প এবং ৬৪৫টি অফিসিয়াল ভেন্যু।

প্রায় ৩ লাখ স্বীকৃত (অ্যাক্রেডিটেড) কর্মী টুর্নামেন্ট পরিচালনায় জড়িত ছিলেন। মাঠে নেমেছিলেন ১ হাজার ২৪৮ জন ফুটবলার। ৬৮ লাখেরও বেশি দর্শক স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখেছেন ১০৪টি ম্যাচে।

৪৩ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক টুর্নামেন্টে সফলে কাজ করে গেছেন। ছিল ৭৩ হাজার ৭০০ অ্যাক্রিডেটেড নিরাপত্তাকর্মী এবং ১০৪টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ফিফার কর্মীরা। পুরো আসরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১০ লাখেরও বেশি নিরাপত্তা শিফট পরিচালিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ভেন্যুতে ৫০ লাখের বেশি অ্যাক্রেডিটেশন স্ক্যান করা হয়েছে।

এবারের আসরে সম্প্রচার ব্যবস্থাতেও ছিল নতুনমাত্রা। ডালাসে স্থাপিত আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র কার্যত একটি অস্থায়ী ‘মিডিয়া সিটি’তে পরিণত হয়। পুরো বিশ্বকাপজুড়ে ৫ হাজার ক্যামেরা ব্যবহার করে ২৪ হাজারের বেশি কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সম্প্রচার করা হয়।

স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের খাবার ও পানীয় বিক্রির তথ্যও ছিল বেশ চমকপ্রদ। ৩৯ দিনে স্টেডিয়ামগুলোতে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার হটডগ। একটির পর একটি সাজালে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার, যা ১ হাজার ৩৫০টিরও বেশি ফুটবল মাঠ এক সারিতে সাজানোর সমান। এছাড়া দর্শকরা পান করেছেন ৪৬ লাখের বেশি কোমল পানীয় ও বোতলজাত পানি এবং ৫৫ লাখেরও বেশি বিয়ার।

স্টেডিয়ামের বাইরেও ছিল উৎসবের আমেজ। উত্তর আমেরিকাজুড়ে আয়োজিত ফিফা ফ্যান ফেস্টিভ্যালে উপস্থিত ছিলেন ৯০ লাখের বেশি দর্শনার্থী।

এছাড়া সমর্থকদের প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দিতে ফিফার ‘নো বিফোর ইউ গো’ কর্মসূচির মাধ্যমে টুর্নামেন্টজুড়ে ২ হাজার ৩০০টির বেশি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা এবং ৭৭ লাখ ই-মেইল পাঠানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আয়োজন, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও দর্শকসেবার দিক থেকেও ২০২৬ বিশ্বকাপ নতুন এক মানদণ্ড স্থাপন করেছে।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow