১৩৬ বছরের মসজিদে নামাজ পড়া বন্ধ, কোটি মুসলিম নিয়ে প্রতিবাদের ডাক
কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতরে অবস্থিত ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ নিয়ে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। সুরক্ষার স্বার্থে বিমানবন্দরের ভেতরের রানওয়ে সংলগ্ন বাঁখড়া মসজিদটি সরানোর দাবি জানিয়েছেন উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার। এ কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পাঁচদিন ধরে সেখানে নামাজ পড়া বন্ধ রেখেছে। এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের এক কোটি মুসলিমকে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর ডাক দিয়েছেন রাজ্যর সাবেক মন্ত্রী ও উলেমা-ই-হিন্দ নেতা সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী। শুক্রবার (১৭ জুলাই) তিনি নিজে বাঁখড়া মসজিদে নামাজ পড়তে যাবেন। মসজিদে নামাজ পড়া বন্ধ করায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা হাতে কালো ব্যাজ পরে প্রতিবাদে শামিল হবেন। এ উপলক্ষে বিমানবন্দরের ৭ নম্বর গেটে জমায়েতের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবাদস্বরূপ স্থানীয় বাসিন্দারাই বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা ওই মসজিদে নামাজ আদায় করবেন বলে জানিয়েছেন সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী। আরও পড়ুন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ / বাংলাদেশ-পাকিস্তানে যান ও নামাজ পড়ুন, এখানে এসব চলবে না পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাবেক মন্ত্রী সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, পাঁচদিন হয়েছে কোনো আন্দোলন হয়নি।
কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতরে অবস্থিত ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ নিয়ে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। সুরক্ষার স্বার্থে বিমানবন্দরের ভেতরের রানওয়ে সংলগ্ন বাঁখড়া মসজিদটি সরানোর দাবি জানিয়েছেন উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার। এ কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পাঁচদিন ধরে সেখানে নামাজ পড়া বন্ধ রেখেছে। এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের এক কোটি মুসলিমকে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর ডাক দিয়েছেন রাজ্যর সাবেক মন্ত্রী ও উলেমা-ই-হিন্দ নেতা সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) তিনি নিজে বাঁখড়া মসজিদে নামাজ পড়তে যাবেন। মসজিদে নামাজ পড়া বন্ধ করায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা হাতে কালো ব্যাজ পরে প্রতিবাদে শামিল হবেন। এ উপলক্ষে বিমানবন্দরের ৭ নম্বর গেটে জমায়েতের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবাদস্বরূপ স্থানীয় বাসিন্দারাই বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা ওই মসজিদে নামাজ আদায় করবেন বলে জানিয়েছেন সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাবেক মন্ত্রী সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, পাঁচদিন হয়েছে কোনো আন্দোলন হয়নি। জোর করে মানুষদের নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই জুম্মাবারে মুসলিম সম্প্রদায়ের এক কোটি মানুষের কাছে অনুরোধ করেছি, কালো ব্যাজ পরে নামাজ পড়তে যাবেন। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন, চলে আসুন।
সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, এতে কোনো বিক্ষোভ প্রদর্শনের দরকার নেই। কোনো মাইকিং বা ক্যানভাসিং থাকবে না। আমরা জুমার নামাজে বেলা ১১টার সময় গেটের সামনে যাব। ভারত সরকারের দেওয়া অথোরিটি আমাদের কাছে আছে। আমাদের পারমিশন দেওয়া হয়েছে রমজান মাসের ইফতারের এবং নামাজের। আমরা আইনের রাস্তা অবলম্বন করব, বেআইনি কোনো কাজ করব না।
তার এই বক্তব্যের পর উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার বলেছেন, ‘এই রাজ্যে কোনো জামায়াতি, শরিয়াতি আইন চলবে না। এখানকার শান্তিপূর্ণ মুসলিম ভাইদের কাছে অনুরোধ, কারও উসকানিতে আইন ভাঙার কাজ করবেন না। এখানে দেশ সবার আগে। নিরাপত্তা সবার আগে।
বিজেপি বিধায়ক আরও বলেন, নামাজ পড়ার জায়গার কমতি নেই। এত বড় মাদরাসা রয়েছে। অন্য কোনো মসজিদে নামাজ পড়তে পারেন। আপনারা কোনো উসকানিতে পা দেবেন না।
ডিডি/কেএএ/
What's Your Reaction?

