১৫ মাস বয়সী শিশুরা পাবে টাইফয়েড টিকা, মিলবে যেদিন থেকে

দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের ঝুঁকি থেকে দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে আগামী ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ‘টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি)’ অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ‘টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি)’ অন্তর্ভুক্ত করে দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের ঝুঁকি থেকে দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে আগামী ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে টিকা দেওয়া হবে। সোমবার (১৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) সূত্রে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। টিকাবিষয়ক যেসব তথ্য জানা প্রয়োজন ইপিআইয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ১৫ মাস বয়সী সব শিশুকে এ টিকা দেওয়া হবে।  টিকাপ্রাপ্তির স্থান: দেশের সব স্থায়ী এবং অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র। টিকাদানের নিয়ম: শিশুকে বাম ঊরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে মাংসপেশিতে শূন্য দশমিক ৫ মিলি মাত্রার এক ডোজ টিকা দেওয়া হবে। সহ-প্রদান: টিকাদান সেশনে এমআর-২ টিকার সঙ্গে টিসিভি একসঙ্গে দেওয়া যাবে। ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও সচেতনতা টিকা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়ে

১৫ মাস বয়সী শিশুরা পাবে টাইফয়েড টিকা, মিলবে যেদিন থেকে

দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের ঝুঁকি থেকে দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে আগামী ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ‘টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি)’ অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে ‘টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি)’ অন্তর্ভুক্ত করে দেশের শিশুদের টাইফয়েড জ্বরের ঝুঁকি থেকে দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্যে আগামী ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে টিকা দেওয়া হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) সূত্রে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

টিকাবিষয়ক যেসব তথ্য জানা প্রয়োজন

ইপিআইয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ১৫ মাস বয়সী সব শিশুকে এ টিকা দেওয়া হবে। 

টিকাপ্রাপ্তির স্থান: দেশের সব স্থায়ী এবং অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র।

টিকাদানের নিয়ম: শিশুকে বাম ঊরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে মাংসপেশিতে শূন্য দশমিক ৫ মিলি মাত্রার এক ডোজ টিকা দেওয়া হবে।

সহ-প্রদান: টিকাদান সেশনে এমআর-২ টিকার সঙ্গে টিসিভি একসঙ্গে দেওয়া যাবে।

ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও সচেতনতা

টিকা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাঠকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের তালিকা তৈরি করবেন এবং ‘ভিএএক্সইপিআই’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন নিশ্চিত করবেন। পাশাপাশি, অভিভাবকদের সচেতন করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম এবং ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করে উঠান বৈঠক ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

উল্লেখ্য যে, দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে নতুন ও কার্যকর টিকা যুক্ত করার ধারাবাহিকতায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow