২০ দিনের মধ্যেই ‘ব্যর্থ’ মার্কিন নৌ-অবরোধ: আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত নৌ অবরোধ ২০ দিনের মধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে। এ নৌ-অবরোধ মূলত চীন, রাশিয়া ও ইউরোপকে নিয়ন্ত্রণের একটি বৃহৎ প্রকল্প হওয়ায় তা ব্যর্থ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ৩০ এপ্রিল) ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) -এর গোয়েন্দা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সংস্থাটি দাবি করে, “ ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ‘গ্লোবাল এনার্জি ব্যবস্থাপনা’ কৌশল থেকে সরে এসে ‘বাধা সৃষ্টি’র কৌশল গ্রহণ করে এবং এই নৌ অবরোধ ছিল চীন, রাশিয়া ও ইউরোপকে নিয়ন্ত্রণের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।” তারা আরও বলে, “কিন্তু ২০ দিন পর হোয়াইট হাউস নিজেই বুঝতে পারছে এই প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে এবং তেহরান এখন ‘অস্থিতিশীলতা-বিরোধী জোট (অ্যান্টি-ডিসরাপশন জোট)’-এর কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে।” গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিনা উসকানিতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালায়। ওই সংঘাতে ইসলামী বিপ্লবের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন বলে দাবি করা হয়। একই দিনে মিনাবের একটি স্কুলে চালানো টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় ১৬৮ শি
যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত নৌ অবরোধ ২০ দিনের মধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে। এ নৌ-অবরোধ মূলত চীন, রাশিয়া ও ইউরোপকে নিয়ন্ত্রণের একটি বৃহৎ প্রকল্প হওয়ায় তা ব্যর্থ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ( ৩০ এপ্রিল) ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) -এর গোয়েন্দা সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সংস্থাটি দাবি করে, “ ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ‘গ্লোবাল এনার্জি ব্যবস্থাপনা’ কৌশল থেকে সরে এসে ‘বাধা সৃষ্টি’র কৌশল গ্রহণ করে এবং এই নৌ অবরোধ ছিল চীন, রাশিয়া ও ইউরোপকে নিয়ন্ত্রণের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।”
তারা আরও বলে, “কিন্তু ২০ দিন পর হোয়াইট হাউস নিজেই বুঝতে পারছে এই প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে এবং তেহরান এখন ‘অস্থিতিশীলতা-বিরোধী জোট (অ্যান্টি-ডিসরাপশন জোট)’-এর কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিনা উসকানিতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালায়। ওই সংঘাতে ইসলামী বিপ্লবের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন বলে দাবি করা হয়। একই দিনে মিনাবের একটি স্কুলে চালানো টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় ১৬৮ শিক্ষার্থী হয়।
এর জবাবে ৪০ দিনে ১০০ দফা পাল্টা হামলা চালায় ইরান। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ৪০-৫০ বিলিয়ন ডলারের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে সিএনএন।
গত ৭ এপ্রিল ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের পারস্পরিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। এর প্রেক্ষিতে ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে সরাসরি আলোচনায় বসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধি দল।
ইরানের লিগ্যাল মেডিসিন সংস্থার তথ্যমতে, ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২,৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন।
কেএম
What's Your Reaction?