২০০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক সোহাগের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক সাগর হোসেন সোহাগকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ১৩তম আদালতের বিচারক মো. জাহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পাশের একটি স্থান থেকে সাগর হোসেন সোহাগকে আটক করে পুলিশ। পরে তার প্যান্টের পকেট থেকে পলিথিনে মোড়ানো ২০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শাহজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ৮(গ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ চারজন সাক্ষী উপস্থাপন করে। তাদের সাক্ষ্য ও আলামত বিশ্লেষণে অভিযোগের সত্যতা উঠে আসে। রাসায়নিক পরীক্ষাগারের প্রতিবেদনে জব্দ আলামত হেরোইন হিসেবে নিশ্চিত করা হয়। রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, আসামিপক্ষের ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে’—এই দাবি গ্রহণযোগ্য নয়। রায়ে বিচারক বলেন, বাস্তবতায় অনেক সময় সাধ
ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক সাগর হোসেন সোহাগকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ১৩তম আদালতের বিচারক মো. জাহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের পাশের একটি স্থান থেকে সাগর হোসেন সোহাগকে আটক করে পুলিশ।
পরে তার প্যান্টের পকেট থেকে পলিথিনে মোড়ানো ২০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শাহজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ৮(গ) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ চারজন সাক্ষী উপস্থাপন করে। তাদের সাক্ষ্য ও আলামত বিশ্লেষণে অভিযোগের সত্যতা উঠে আসে। রাসায়নিক পরীক্ষাগারের প্রতিবেদনে জব্দ আলামত হেরোইন হিসেবে নিশ্চিত করা হয়।
রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, আসামিপক্ষের ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে’—এই দাবি গ্রহণযোগ্য নয়।
রায়ে বিচারক বলেন, বাস্তবতায় অনেক সময় সাধারণ মানুষ মাদক মামলায় সাক্ষ্য দিতে এগিয়ে আসেন না, তাই পাবলিক সাক্ষীর অনুপস্থিতি রাষ্ট্রপক্ষের মামলাকে দুর্বল করে না।
উচ্চ আদালতের পূর্ববর্তী রায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের মামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাক্ষ্যও যথেষ্ট প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
আদালত আরও পর্যবেক্ষণে বলেন, আসামির কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হেরোইন উদ্ধার এবং আগে একাধিক মাদক মামলা বিচারাধীন থাকা তার অপরাধপ্রবণতার ইঙ্গিত দেয়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানই যুক্তিসঙ্গত বলে আদালত মনে করেন।
রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামি আগে যে সময় হাজতে কাটিয়েছেন তা মূল সাজা থেকে বাদ যাবে।
এমডিএএ/বিএ
What's Your Reaction?