২১ দিনে দেশে এলো ২ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয়

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ২১ দিনে দেশে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এ সময়ে বৈধ পথে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ২০৯ কোটি ৫০ লাখ (২ দশমিক ০৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি মাসের প্রথম পাঁচ দিনে এসেছিল ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। মাসজুড়ে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত থাকায় ২১ দিনের মাথায় মোট প্রবাসী আয় পৌঁছেছে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ২১ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সমান। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রণোদনার কারণে প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। এ প্রবাহ অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে

২১ দিনে দেশে এলো ২ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয়

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ২১ দিনে দেশে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এ সময়ে বৈধ পথে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ২০৯ কোটি ৫০ লাখ (২ দশমিক ০৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি মাসের প্রথম পাঁচ দিনে এসেছিল ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। মাসজুড়ে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত থাকায় ২১ দিনের মাথায় মোট প্রবাসী আয় পৌঁছেছে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারে।

গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ২১ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সমান।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রণোদনার কারণে প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। এ প্রবাহ অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইএআর/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow