২৩ বছর আগের হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন
চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত এক হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ২৩ বছর পর বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এ রায় ঘোষণা করা হয়। চট্টগ্রাম ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় দেন। আদালত সূত্র জানায়, দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জামাল উদ্দিন ও মো. এরশাদ। আদালত উচ্চ আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে তাদের ফাঁসির রজ্জুতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন। এছাড়া মো. মনির হোসেন, মো. আলমগীর ও মো. রাশেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ৬ জানুয়ারি ভুক্তভোগী ইদু মিয়া নিখোঁজ হন। দুই দিন পর ৮ জানুয়ারি দুপুরে নগরের ডবলমুরিং থানার বাদামতলী এলাকার মধুবন মিষ্টি দোকানের পেছনে পুরাতন কবরস্থানের ঝোপঝাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল
চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত এক হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ২৩ বছর পর বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এ রায় ঘোষণা করা হয়। চট্টগ্রাম ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় দেন।
আদালত সূত্র জানায়, দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পাঁচ আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জামাল উদ্দিন ও মো. এরশাদ। আদালত উচ্চ আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে তাদের ফাঁসির রজ্জুতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন।
এছাড়া মো. মনির হোসেন, মো. আলমগীর ও মো. রাশেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ৬ জানুয়ারি ভুক্তভোগী ইদু মিয়া নিখোঁজ হন। দুই দিন পর ৮ জানুয়ারি দুপুরে নগরের ডবলমুরিং থানার বাদামতলী এলাকার মধুবন মিষ্টি দোকানের পেছনে পুরাতন কবরস্থানের ঝোপঝাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। মামলায় মোট ৯ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা রায়ের তারিখ থেকে সাত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন। আর পলাতক আসামিদের ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের পর থেকে সাজা কার্যকর হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও চট্টগ্রাম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ষষ্ঠ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হাসেম কালবেলাকে বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড ছিল। দীর্ঘ ২৩ বছর পর আজ এ মামলার রায় ঘোষণা হলো। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে আদালত দুই আসামিকে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
What's Your Reaction?