২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ২ জনের সাক্ষ্য

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) থেকে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচারের মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, স্ত্রী রুখমিলা জামানসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে আরও দুই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়। দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন কালবেলাকে বলেন, গত ৪ এপ্রিল শুরু হওয়া সাক্ষ্যগ্রহণে এ পর্যন্ত মোট ৩৭ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী তার মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের প্রটোকল কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে মালিক দেখিয়ে ‘ভিশন ট্রেডিং’ নামে একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। পরে জাল নথিপত্র ব্যবহার করে ইউসিবির পোর্ট শাখা থেকে ২৫ কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হয়। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ব্যাংকের ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগ ১৭টি নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ দিলেও তৎকালীন চেয়ারম্যান রুখমিলা জামানের প্রভাব এবং সাইফুজ্জামান চৌধুরীর হস্তক্ষেপে ঋণ

২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ২ জনের সাক্ষ্য
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) থেকে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচারের মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, স্ত্রী রুখমিলা জামানসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে আরও দুই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়। দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন কালবেলাকে বলেন, গত ৪ এপ্রিল শুরু হওয়া সাক্ষ্যগ্রহণে এ পর্যন্ত মোট ৩৭ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী তার মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের প্রটোকল কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে মালিক দেখিয়ে ‘ভিশন ট্রেডিং’ নামে একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। পরে জাল নথিপত্র ব্যবহার করে ইউসিবির পোর্ট শাখা থেকে ২৫ কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হয়। অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ব্যাংকের ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগ ১৭টি নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ দিলেও তৎকালীন চেয়ারম্যান রুখমিলা জামানের প্রভাব এবং সাইফুজ্জামান চৌধুরীর হস্তক্ষেপে ঋণটি অনুমোদন করা হয়। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, তিনি ব্যাংকটিতে ‘ডি-ফ্যাক্টো’ চেয়ারম্যান হিসেবে প্রভাব বিস্তার করতেন। দুদকের দাবি, ঋণের ২৫ কোটি টাকার মধ্যে প্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা সাইফুজ্জামান চৌধুরীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আরামিট সিমেন্ট ও আরামিট থাই অ্যালুমিনিয়ামের পুরোনো দেনা পরিশোধে ব্যবহার করা হয়। বাকি প্রায় ৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা নগদে তুলে হুন্ডি ও হাওলার মাধ্যমে দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করা হয়। তদন্ত চলাকালে রুখমিলা জামানের গাড়িচালকের এক প্রতিবেশীর বাসা থেকে ২৩ বস্তা নথি ও আলামত উদ্ধার করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। দুদকের ভাষ্য, ওই নথিতে বিদেশে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ১ হাজার ১০০টির বেশি ফ্ল্যাট ও রিয়েল এস্টেট কেনার তথ্য পাওয়া যায়। এর আগে ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর আদালত সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুখমিলা জামানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন। তবে দুদকের তথ্যমতে, তারা এর আগেই বিদেশে চলে যান।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow