২৮ বিচারককে শোকজ, হাসনাত আবদুল্লাহর উদ্বেগ

নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে মতামত প্রকাশ করায় ২৮ জন বিচারককে শোকজ করার ঘটনায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ উদ্বেগের কথা জানান। ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে, কারণ তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে কিছু মতামত লিখেছিলেন। এই জায়গাটাই সবচেয়ে চিন্তার। বিচারকদের নিজেদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটাও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে? তিনি আরও লেখেন, স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, এটা স্পষ্টভাবে একটা ভয় দেখানোর চেষ্টা। বার্তাটা খুব পরিষ্কার: ‘চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন।’ কুমিল্লা-৪ আসনের এ সংসদ সদস্য বলেন, ৫ আগস্টের পর একটা সময় মনে হয়েছিল, বিচারকরা অন্তত কিছুটা সাহস নিয়ে ভাবতে, লিখতে পারছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। এখন যা হচ্ছে, তাতে সেই পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। বিচার বিভ

২৮ বিচারককে শোকজ, হাসনাত আবদুল্লাহর উদ্বেগ
নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে মতামত প্রকাশ করায় ২৮ জন বিচারককে শোকজ করার ঘটনায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ উদ্বেগের কথা জানান। ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে, কারণ তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে কিছু মতামত লিখেছিলেন। এই জায়গাটাই সবচেয়ে চিন্তার। বিচারকদের নিজেদের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা করার জায়গাটাও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে? তিনি আরও লেখেন, স্ক্রিনশট নিয়ে বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, এটা স্পষ্টভাবে একটা ভয় দেখানোর চেষ্টা। বার্তাটা খুব পরিষ্কার: ‘চুপ থাকুন, না হলে সমস্যায় পড়বেন।’ কুমিল্লা-৪ আসনের এ সংসদ সদস্য বলেন, ৫ আগস্টের পর একটা সময় মনে হয়েছিল, বিচারকরা অন্তত কিছুটা সাহস নিয়ে ভাবতে, লিখতে পারছেন এবং ভবিষ্যতেও লিখবেন। এখন যা হচ্ছে, তাতে সেই পরিবেশটা আবার ধীরে ধীরে ভয়ের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। বিচার বিভাগে যদি এই ধরণের চাপ থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার জায়গাটাও দুর্বল হয়ে যায়। এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক আরও বলেন, এটা কোনো ব্যক্তির বিষয় না, এটা একটা সিস্টেমের বিষয়। বিচারকদের কণ্ঠ যদি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতিপূরণ পুরো দেশকেই দিতে হবে। এই সিদ্ধান্তটা অন্তত পুনর্বিবেচনা করা দরকার।  সবশেষ তিনি লেখেন, বিচার বিভাগকে ভয় দেখিয়ে শক্তিশালী করা যায় না, বরং দুর্বল করে ফেলা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow