২৯ কার্যদিবসে ধর্ষণ মামলার রায়, আসামির ফাঁসির আদেশ

মেহেরপুরে ১১ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণ মামলায় শাকিল হোসেন নামের এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানা অনাদায় আরও এক বছরের জেল দিয়েছেন আদালত।  রোববার (২৪ মে) দুপুর দুইটার দিকে মেহেরপুর জনাকীর্ণ আদালতে শিশু অহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মেহেরপুরের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম (জেলাও দায়রা জজ) এ রায় দেন। মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৬ জুন গাংনী উপজেলার চাঁদপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের ইছানুল হকের ৯ বছর বয়সী শিশুতার বাবার জন্য মাঠে খাবার নিয়ে যাওয়ার পথে শাকিল হোসেন তাকে কৌশলে ডেকে পাট খেতে নিয়ে ধর্ষণ করে।  ওই সময় মাঠে কাজ করা লোকজন শিশুর কন্যার কান্নাকাটি শুনে এগিয়ে গেলে শাকিল হোসেন শিশুকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে দুপুরের দিকে এলাকাবাসী শাকিলকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে ওই শিশুর বাবা ইছানুল হক বাদী হয়ে গাংনী থানায় মামলা করে। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট করেন। মামলাটি মাত্র ২৯ কার্যদিবসে নিষ্পত্তি ঘটানো হয়। দ্রুত রায় সম্পাদনের জন্য দূরের সাক্ষীদের ভার্চুয়াল সাক্ষীগ্রহণ করা হয়। মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষী তাদের

২৯ কার্যদিবসে ধর্ষণ মামলার রায়, আসামির ফাঁসির আদেশ

মেহেরপুরে ১১ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণ মামলায় শাকিল হোসেন নামের এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানা অনাদায় আরও এক বছরের জেল দিয়েছেন আদালত। 

রোববার (২৪ মে) দুপুর দুইটার দিকে মেহেরপুর জনাকীর্ণ আদালতে শিশু অহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মেহেরপুরের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম (জেলাও দায়রা জজ) এ রায় দেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৬ জুন গাংনী উপজেলার চাঁদপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের ইছানুল হকের ৯ বছর বয়সী শিশুতার বাবার জন্য মাঠে খাবার নিয়ে যাওয়ার পথে শাকিল হোসেন তাকে কৌশলে ডেকে পাট খেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। 

ওই সময় মাঠে কাজ করা লোকজন শিশুর কন্যার কান্নাকাটি শুনে এগিয়ে গেলে শাকিল হোসেন শিশুকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে দুপুরের দিকে এলাকাবাসী শাকিলকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে ওই শিশুর বাবা ইছানুল হক বাদী হয়ে গাংনী থানায় মামলা করে। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট করেন।

মামলাটি মাত্র ২৯ কার্যদিবসে নিষ্পত্তি ঘটানো হয়। দ্রুত রায় সম্পাদনের জন্য দূরের সাক্ষীদের ভার্চুয়াল সাক্ষীগ্রহণ করা হয়।

মামলায় মোট ১২ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষীদের সাক্ষে আসামি শাকিল হোসেন দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। একইসঙ্গে আসামিকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow