২৯ বছর বয়সেই মন্ত্রী, বিজয়ের দলে কে এই তরুণী?

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। দীর্ঘ ছয় দশক পর দ্রাবিড় রাজনীতির বাইরে কোনো সরকার গঠিত হওয়ার দিনে সবার নজর কেড়েছেন ২৯ বছর বয়সী এক তরুণী। নাম তার এস কীর্তনা। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের প্রথম মন্ত্রিসভায় একমাত্র নারী সদস্য এবং রাজ্যের ইতিহাসের অন্যতম কনিষ্ঠ মন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নিয়েছেন তিনি। ভারতের ‘আতশবাজির রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত বিরুধুনগর জেলার শিবকাশী আসন থেকে বিজয়ের দল টিভিকের টিকিটে জয়ী হয়েছেন কীর্তনা। নতুন প্রজন্মের এই নেত্রীকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে বিজয় স্পষ্ট করে দিলেন, তার সরকার প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে তরুণ ও পেশাদারদের গুরুত্ব দিতে চায়। কে এই কীর্তনা? সক্রিয় রাজনীতিতে আসার আগে কীর্তনা একজন রাজনৈতিক পরামর্শক হিসেবে কাজ করতেন। ‘শো-টাইম কনসাল্টিং’-এর হয়ে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন কৌশল এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনসংযোগের কাজে তার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে। এমনকি অন্ধ্র প্রদেশে টিডিপির নির্বাচনি প্রচারণাতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। টিভিকের প্রাথমিক পর্যায়ে যুব সমাজকে সংগঠিত করা, নির্বাচনি পরিকল্পনা এবং সোশ্যাল মিডিয়া যোগাযোগে তিনি পর্দার আড়ালে থেকে বড় ভূমিকা পালন করেছেন বলে জ

২৯ বছর বয়সেই মন্ত্রী, বিজয়ের দলে কে এই তরুণী?

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। দীর্ঘ ছয় দশক পর দ্রাবিড় রাজনীতির বাইরে কোনো সরকার গঠিত হওয়ার দিনে সবার নজর কেড়েছেন ২৯ বছর বয়সী এক তরুণী। নাম তার এস কীর্তনা। মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের প্রথম মন্ত্রিসভায় একমাত্র নারী সদস্য এবং রাজ্যের ইতিহাসের অন্যতম কনিষ্ঠ মন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নিয়েছেন তিনি।

ভারতের ‘আতশবাজির রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত বিরুধুনগর জেলার শিবকাশী আসন থেকে বিজয়ের দল টিভিকের টিকিটে জয়ী হয়েছেন কীর্তনা। নতুন প্রজন্মের এই নেত্রীকে মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে বিজয় স্পষ্ট করে দিলেন, তার সরকার প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে তরুণ ও পেশাদারদের গুরুত্ব দিতে চায়।

কে এই কীর্তনা?

সক্রিয় রাজনীতিতে আসার আগে কীর্তনা একজন রাজনৈতিক পরামর্শক হিসেবে কাজ করতেন। ‘শো-টাইম কনসাল্টিং’-এর হয়ে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন কৌশল এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনসংযোগের কাজে তার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে। এমনকি অন্ধ্র প্রদেশে টিডিপির নির্বাচনি প্রচারণাতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। টিভিকের প্রাথমিক পর্যায়ে যুব সমাজকে সংগঠিত করা, নির্বাচনি পরিকল্পনা এবং সোশ্যাল মিডিয়া যোগাযোগে তিনি পর্দার আড়ালে থেকে বড় ভূমিকা পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন>>
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন বিজয়
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বিজয়ের নির্দেশ, ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ ফ্রি

বিজয়ের দলে ৯৩ বিধায়কই নতুন মুখ, রয়েছেন ২৮ বছর বয়সীও

নির্বাচনে জয়ের পর থেকেই কীর্তনা সংবাদমাধ্যমে আলাদাভাবে নজর কাড়েন। তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে হিন্দি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ থাকলেও কীর্তনা হিন্দি ভাষায় কথা বলে চমক দেন। তার মতে, বিজয়ের বার্তা এবং দলের লক্ষ্য সারা ভারতের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই তিনি এই ভাষা ব্যবহার করেছেন। হিন্দিবিরোধী আন্দোলনের ঐতিহ্যের মধ্যে একজন তামিল নেত্রীর এমন অবস্থান বেশ সাহসী ও ব্যতিক্রমী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: নিউজ ১৮
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow