৩ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন পাঁচ গ্রামের মানুষ

জামালপুরের মাদারগঞ্জে কড়ইচড়া ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামে গত তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস বলছে, কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার মহিষবাথান, মহিষবাথান পূর্ব পাড়া, ইলশামারী, লালডোবা ও পূর্ব নলছিয়া গ্রাম বিদ্যুৎ বিহীন হয়ে পড়ে। সামনে থেকে সরবরাহ লাইনের সমস্যা সমাধান করে শেষ পর্যন্ত যেতে হয়। এর আগেই আবার ঝড়বৃষ্টির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুৎ। তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় স্থানীয় মনোহারি দোকানগুলোতে ফ্রিজে রাখা আইসক্রিমসহ নানা ধরনের পণ্য গলে যাচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।  তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে ওইসব এলাকার এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না তারা। এতে রেজাল্ট খারাপ হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।   মোবাইল ফোনে চার্জ না থাকায় জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগও করতে পারছে না ওই এলাকার মানুষ। বাদশা নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানের আইসক্রিম, দই সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। টানা তিন দিন বিদ্যুৎ না থাকায় আমার মতো ব্যাবসায

৩ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন পাঁচ গ্রামের মানুষ

জামালপুরের মাদারগঞ্জে কড়ইচড়া ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামে গত তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিস বলছে, কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার মহিষবাথান, মহিষবাথান পূর্ব পাড়া, ইলশামারী, লালডোবা ও পূর্ব নলছিয়া গ্রাম বিদ্যুৎ বিহীন হয়ে পড়ে। সামনে থেকে সরবরাহ লাইনের সমস্যা সমাধান করে শেষ পর্যন্ত যেতে হয়।

এর আগেই আবার ঝড়বৃষ্টির কারণে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুৎ।

তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় স্থানীয় মনোহারি দোকানগুলোতে ফ্রিজে রাখা আইসক্রিমসহ নানা ধরনের পণ্য গলে যাচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। 

তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে ওইসব এলাকার এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না তারা। এতে রেজাল্ট খারাপ হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।  

মোবাইল ফোনে চার্জ না থাকায় জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগও করতে পারছে না ওই এলাকার মানুষ।

বাদশা নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানের আইসক্রিম, দই সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। টানা তিন দিন বিদ্যুৎ না থাকায় আমার মতো ব্যাবসায়ীদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। আমরা এই সমস্যার সমাধান চাই।

লালডোবা গ্রামের মোখলেছুর রহমান নামে এক বাসিন্দা বলেন, তিন দিন ধরে অন্ধকারে আছি। বাচ্চারা পড়তে পারছে না। ফ্রিজের সব জিনিস ফেলে দিতে হয়েছে। সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতি জ্বালিয়ে রাত পার করছি। আমরা দ্রুত বিদ্যুৎ চাই।

ইলশামারী এলাকার এক এসএসসি পরীক্ষার্থী বলে, সকালে আমাদের পরীক্ষা শুরু হয়। সকালে তো তেমন পড়া যায় না। রাতেই পড়া শেষ করতে হয়। রাতে কারেন্ট না থাকার কারণে ঠিকমতো পড়তে পারছি না। ঠিকমতো পড়তে না পারায় পরীক্ষা খারাপ হচ্ছে।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক সাহিদুল ইসলাম বলেন, গত রোববার রাতে ঝড়ে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎতের খুঁটি ভেঙে গেছে ও বৈদ্যুতিক মেইন তার ছিঁড়ে যাওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে। মেরামতের কাজ চলছে, এর মধ্যে আবার ঝড়বৃষ্টি। দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow