৩০ বছর পর বাবার হারানো আসন পুনরুদ্ধার করলেন ছেলে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০ বছর পর বাবার হারানো আসন ফিরে পেয়েছেন ছেলে এম. মঞ্জুরুল করিম রনি। এবারের নির্বাচনে এম মঞ্জুরুল করিম রনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা প্রতীকের প্রার্থী আলী নাছের খান। ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিলেন তার বাবা সেসময়ের ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক এম এ মান্নান। পরে তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে এ আসনে অধ্যাপক এমএ মান্নান ভোট পেয়েছিলেন ৯৭ হাজার ৫৯৭। তিনি মোট ৫৪ দশমিক ৪ ভাগ ভোট পেয়েছিলেন। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আকম মোজাম্মেল হক পেয়েছিলেন ৬৬ হাজার ৪১৮ ভোট। তিনি পেয়েছিলেন ৩৭ ভাগ ভোট। পরে ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধ্যাপক এমএ মান্নান পরাজিত হন আওয়ামী লীগের শহীদ আহসান উল্লা মাস্টারের কাছে। ওই সময় থেকেই এ আসনটি বিএনপির হাতছাড় হয়ে যায়। অধ্যাপক এম এ মান্নান ২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হলেও আর সংসদ সদস্য হতে পারেননি। বাবার সেই আসন এবার পুনর

৩০ বছর পর বাবার হারানো আসন পুনরুদ্ধার করলেন ছেলে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০ বছর পর বাবার হারানো আসন ফিরে পেয়েছেন ছেলে এম. মঞ্জুরুল করিম রনি। এবারের নির্বাচনে এম মঞ্জুরুল করিম রনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা প্রতীকের প্রার্থী আলী নাছের খান।

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছিলেন তার বাবা সেসময়ের ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক এম এ মান্নান। পরে তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে এ আসনে অধ্যাপক এমএ মান্নান ভোট পেয়েছিলেন ৯৭ হাজার ৫৯৭। তিনি মোট ৫৪ দশমিক ৪ ভাগ ভোট পেয়েছিলেন। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আকম মোজাম্মেল হক পেয়েছিলেন ৬৬ হাজার ৪১৮ ভোট। তিনি পেয়েছিলেন ৩৭ ভাগ ভোট।

পরে ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধ্যাপক এমএ মান্নান পরাজিত হন আওয়ামী লীগের শহীদ আহসান উল্লা মাস্টারের কাছে। ওই সময় থেকেই এ আসনটি বিএনপির হাতছাড় হয়ে যায়।

অধ্যাপক এম এ মান্নান ২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হলেও আর সংসদ সদস্য হতে পারেননি। বাবার সেই আসন এবার পুনরুদ্ধার করলেন ছেলে।

নানা ঘাত প্রতিঘাত পার হয়ে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর মহানরগ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. মঞ্জুরুল করিম রনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৬টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের এনসিপি মনোনীত শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী আলী নাছের খান পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৫০ ভোট। এ আসনে প্রদত্ত ভোটের হার শতকরা ৪৪.৬৯ ভাগ। রনি ৪৭ হাজার ৬৫৬ ভোটের ব্যবধানে শাপলা কলি প্রতীকের এনসিপির প্রার্থী আলী নাছের খানকে পরাজিত করেন।

আমিনুল ইসলাম/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow